জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের প্রায় প্রতিটি অঙ্গনে আমূল পরিবর্তন এলেও চলচ্চিত্র অঙ্গনে এখনও ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসরদের বহাল তবিয়তে রাজত্ব করার অভিযোগ উঠেছে।
পতিত স্বৈরাচারের দোসর ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ চলচ্চিত্র লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম খসরু এবং তাঁর সিন্ডিকেট বিএফডিসি ও দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। কার ইশারায় ও কিসের জোরে চলছে এই ষড়যন্ত্র? জুলাই অভ্যুত্থানের পক্ষের শক্তিকে কোণঠাসা করতে অর্থ ও ক্ষমতার বেপরোয়া অপব্যবহার করা হচ্ছে।

প্রশ্ন উঠেছে, জুলাই-বিরোধী খোরশেদ আলম খসরুর এই বিপুল পরিমাণ অর্থ এবং বেপরোয়া সাহসের উৎস আসলে কোথায়? কোন বিদেশি শক্তি বা অপশক্তির এজেন্ট হিসেবে কাজ করে তিনি বারবার চলচ্চিত্রাঙ্গনকে অস্থিতিশীল করার দুঃসাহস পাচ্ছেন—তা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা।
বিএনপির নাম ভাঙিয়ে পুনর্বাসনের অভিযোগ :
অনুসন্ধানে ও বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, ফ্যাসিস্টদের এই দোসরদের সাথে গোপনে আঁতাত করে নামসর্বস্ব কিছু ব্যক্তি বিএনপির নাম ভাঙিয়ে অর্থের বিনিময়ে এদের পুনর্বাসনের দায়িত্ব নিয়েছে। এদের সহযোগিতাতেই বিএফডিসিতে জুলাইয়ের শক্তির বিপরীতে ফ্যাসিবাদী শক্তি মাথাচাড়া দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে।
মেগা স্টার উজ্জ্বলের সম্মানহানির অপচেষ্টা:
সম্প্রতি বিএনপিঘনিষ্ঠ, অত্যন্ত সজ্জন ও চলচ্চিত্রপ্রেমী সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মেগা স্টার আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বলের বিরুদ্ধে প্রযোজক সমিতির নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সাহস দেখাচ্ছেন খসরু। মেগা স্টার উজ্জ্বলের সহজ-সরল ও ভালো মানুষের সুযোগ নিয়ে বিএফডিসি ও দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে এই খসরু গং।

চলচ্চিত্র অঙ্গনের দাবি :
জুলাই বিপ্লবের চেতনা ধারণ করে অবিলম্বে চলচ্চিত্র অঙ্গন থেকে ফ্যাসিবাদের সকল দোসর ও সুবিধাভোগীকে অপসারণ করতে হবে। একই সাথে, খোরশেদ আলম খসরুসহ সকল চক্রান্তকারীর মদদদাতাদের মুখোশ উন্মোচন করে তাদের আইনের আওতায় আনার জোরালো দাবি জানিয়েছেন চলচ্চিত্র অঙ্গনের সচেতন ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পক্ষের শক্তি।


















