রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করায় সংবিধান অনুযায়ী নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
এদিকে, দায়িত্ব গ্রহণের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে জাতীয় সংসদ ভবন ও স্পিকারের সরকারি বাসভবনে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ও ভিভিআইপি প্রটোকল।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁর পদত্যাগপত্র জমা দেন।
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পর থেকেই জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা যায়। স্পিকারের সরকারি বাসভবনের সামনে ভিভিআইপি পর্যায়ের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী (এসএসএফ)-এর গাড়িবহর মোতায়েন এবং প্রয়োজনীয় সব প্রটোকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
বিকেল ৪টা ২৬ মিনিটের দিকে এসএসএফের প্রটোকল বহরের একাধিক গাড়ি এবং রাষ্ট্রপতির ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত একটি গাড়ি জাতীয় সংসদ ভবনে পৌঁছায়। সেখানে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির ব্যবহারের জন্য একটি গাড়ি প্রস্তুত রাখা হয়। এছাড়া এসএসএফের আরও দুটি প্রটোকল গাড়িও সংসদ ভবন এলাকায় অবস্থান নিতে দেখা যায়।
গত কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। এরই মধ্যে থাইল্যান্ডে চিকিৎসা শেষে নির্ধারিত সময়ের দুই দিন আগেই শুক্রবার দুপুরে দেশে ফেরেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে বা রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদকে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে।
















