টাঙ্গাইলে টিচার্স ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে প্লে-গ্রুপ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত স্কুল ও মাদ্রাসার ৫০০ কৃতি শিক্ষার্থীর মাঝে বৃত্তি, সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদপত্র বিতরণ করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের সোনার বাংলা কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের হাতে বৃত্তির সনদপত্র ও সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন টাঙ্গাইল সদর আসনের সংসদ সদস্য এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
টিচার্স ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় কমিটি, টাঙ্গাইলের সভাপতি ড. খন্দকার আনিছুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি মো. হাসানুজ্জামিল শাহীন, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু এবং ইউপিইটিসি, আজমিরীগঞ্জ, হবিগঞ্জের ইন্সট্রাক্টর মো. ইসলাম মিয়া।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, “আজকের কৃতি শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার নেতৃত্ব দেবে। তাই তাদের মেধা বিকাশে পরিবার, শিক্ষক ও সমাজকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। শুধু ভালো ফলাফল করলেই হবে না, নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও দেশপ্রেমে সমৃদ্ধ আদর্শ মানুষ হিসেবেও গড়ে উঠতে হবে।”
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সরকার ইতোমধ্যে ‘নতুন কুঁড়ি’ প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে, যাতে তারা পড়াশোনার পাশাপাশি নিজেদের প্রতিভা ও দক্ষতা বিকাশের সুযোগ পায়।
মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সঠিক পথে এগিয়ে নিতে হলে কোনোভাবেই মাদকের বিস্তার হতে দেওয়া যাবে না। এ বিষয়ে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন ভূমিকা পালন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, টাঙ্গাইলের শিশুদের জন্য উন্নত খেলার মাঠ ও সুস্থ বিনোদনের পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি যেকোনো অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, “আপনারা যেকোনো অনিয়মের বিষয় আমাকে জানাবেন। নিয়মের ব্যত্যয় করে কোনো কিছু চলবে না। সবাইকে নিয়ম মেনেই চলতে হবে। এই শহর আমাদের সবার, সবাইকে সঙ্গে নিয়েই একটি সুন্দর টাঙ্গাইল গড়ে তুলতে চাই।”
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে ৫০০ কৃতি শিক্ষার্থীর হাতে বৃত্তির সনদপত্র ও সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়।
এ সময় টিচার্স ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় কমিটি, টাঙ্গাইলের সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশীদ, সাহিত্যবিষয়ক সম্পাদক বাবু ভবেশ মুকুট পাল, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

















