নিজস্ব সংবাদদাতা :
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হাতিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচারের অভিযোগ উঠেছে।
‘শিক্ষক অনুপস্থিতি ও ক্লাস না হওয়া’ সংক্রান্ত একটি সংবাদকে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর দাবি করে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক, পরিচালনা কমিটি এবং শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দ।
রোববার (৭ জুন) এক যৌথ বিবৃতিতে তারা জানান, ওই সংবাদে প্রকাশিত তথ্যের সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই। সরেজমিন তথ্য ও প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে, এদিন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক উভয় শাখার ক্লাস যথারীতি রুটিন অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকল শিক্ষক-কর্মচারী সময়মতো উপস্থিত থেকে ডিজিটাল হাজিরা নিশ্চিত করেছেন এবং সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন। শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও ছিল সন্তোষজনক।
প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, একটি স্বার্থান্বেষী মহল ব্যক্তিগত উদ্দেশ্য হাসিল করতে ব্যর্থ হয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তারা অভিযোগ করেন, গণমাধ্যমে সম্পূর্ণ কাল্পনিক ও ভিত্তিহীন তথ্য সরবরাহ করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে।
মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের পর স্থানীয় অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। কয়েকজন অভিভাবক জানান, তাদের সন্তানরা নিয়মিত ক্লাসে অংশগ্রহণ করেছে এবং নির্ধারিত সময়েই বাড়ি ফিরেছে। তাদের মতে, বিদ্যালয়ের সুশৃঙ্খল পরিবেশ ও শিক্ষা কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেই একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে নানা অপপ্রচার চালিয়ে আসছে।
হাতিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ দিরাই উপজেলার একটি গৌরবময় ও সুপ্রতিষ্ঠিত বিদ্যাপীঠ হিসেবে পরিচিত। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও সচেতন নাগরিকদের গুজব ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণায় কান না দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এদিকে, তথ্য যাচাই ছাড়া মানহানিকর ও মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে প্রতিষ্ঠানটির নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে।

















