যশোর সংবাদদাতা :
যশোরের শার্শা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোস্তফা কামাল মিন্টুর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার প্রতিবাদ ও মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৬ জুন) বেলা ১১টার সময় উপজেলা পরিষদের প্রধান ফটকের সামনে যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের দু’পাশে উপজেলা বিএনপির ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিএনপি এবং বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোস্তফা কামাল মিন্টুর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাকে রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করা এবং জনসমর্থন থেকে বিচ্ছিন্ন করার অপচেষ্টা হিসেবে এ মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে তারা দাবী করেন।
বক্তারা আরও দাবি করেন, টুরিস্ট পুলিশের সদস্য মামুন হাসান জুয়েলের পিতা মশিয়ার রহমান নারায়ণগঞ্জ সেভেন মার্ডার মামলার আসামি ছিলেন। এবং ছেলে মামুন ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল। যে কারণে বিশেষ সুবিধায় মামুন হাসান জুয়েলের ট্যুরিস্ট পুলিশের চাকরি হয়। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে ক্ষমতার অপব্যবহার করে এলাকার বিভিন্ন মানুষের ক্ষয়ক্ষতি করেন। তারই জেরে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা মামুনকে মারধর করেন। মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা দ্রুত
প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি নিরপেক্ষতা বজায় রেখে প্রকৃত ঘটনা উদঘটনের আহ্বান জানান এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক কর্মকাণ্ড থেকে সরে আসার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান।
মানববন্ধন শেষে নেতাকর্মীরা উপজেলার প্রধান ফটকের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন, এবং অ্যাডভোকেট মোস্তফা কামাল মিন্টুর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা দ্রুত প্রত্যাহারসহ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।
উল্লেখ্য: গত ২৯ মে উপজেলার শ্যামলাগাছি গ্রামের বাসিন্দা মশিয়ার রহমানের ছেলে ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্য মামুন হাসান জুয়েল কোরবানি ঈদের ছুটিতে বাড়িতে এসে হামলার শিকার হন। এঘটনায় তার ছোট ভাই মেহেদী হাসান রয়েল বাদী হয়ে গত (৪ জুন) শার্শা থানায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা আরও পাঁচ থেকে ছয়জনকে আসামি করে একটি মামলা করেন।
ঐ মামলার প্রধান আসামি করা হয় উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও অ্যাডভোকেট মোস্তফা কামাল মিন্টুকে। কিন্তু মামুন হাসান জুয়েলের উপর হামলার সময় এডভোকেট মোস্তফা কামাল মিন্টু ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না।

















