মোঃ নাঈম সিরাজী, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা:
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার হাবিবুল্লাহ নগর ইউনিয়নে পবিত্র ঈদুল আজহা-২০২৬ উপলক্ষে সরকারের ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় গরিব, অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরণকে কেন্দ্র করে গভীর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের দাবি, ইউনিয়নের বর্তমান প্রশাসক ও উপজেলা সমবায় অফিসার মোঃ রবিউল রানার সততা, স্বচ্ছতা ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি অসাধু চক্র তাকে সামাজিক ও প্রশাসনিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টায় নেমেছে।
সরকারের মানবিক সহায়তা কর্মসূচির অংশ হিসেবে হাবিবুল্লাহ নগর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে ভিজিএফ চাল বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। মাননীয় সংসদ সদস্য ও স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিতের দিকনির্দেশনায় উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের তত্ত্বাবধানে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ডা. এম এ মুহিতের নেতৃত্বে শাহজাদপুর উপজেলায় সরকারি সহায়তা ও সামাজিক নিরাপত্তা কার্যক্রম আরও গতিশীল ও স্বচ্ছভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে। ইউনিয়ন পর্যায়ে সৎ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে সুবিধাভোগী একটি দুর্নীতিবাজ সিন্ডিকেট ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।
অভিযোগ রয়েছে, ওই চক্রটি ভিজিএফ চাল বিতরণ কার্যক্রমকে বিতর্কিত করতে আসল কার্ডের হুবহু নকল করে অতিরিক্ত জাল কার্ড সাধারণ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেয়। এতে প্রকৃত বরাদ্দের তুলনায় অতিরিক্ত লোক উপস্থিত হওয়ায় চালের ঘাটতি দেখা দেয় এবং সাময়িক বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
তবে এমন পরিস্থিতিতেও প্রশাসক মোঃ রবিউল রানা মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে বৈধ ২৭৫ জন কার্ডধারীকে খালি হাতে ফেরত না দিয়ে ব্যক্তিগত ও প্রশাসনিক উদ্যোগে প্রত্যেককে ২০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। তার এই মানবিক পদক্ষেপ সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, সরকারের জনকল্যাণমূলক কর্মসূচিকে প্রশ্নবিদ্ধ করা এবং একজন সৎ কর্মকর্তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার লক্ষ্যেই এই পরিকল্পিত অপচেষ্টা চালানো হয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা বলেন, “ডা. এম এ মুহিত এমপির নেতৃত্বে এলাকায় দৃশ্যমান উন্নয়ন হচ্ছে। প্রশাসক মোঃ রবিউল রানা অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। তাকে হেয় করতে গরিব মানুষের চাল নিয়ে জালিয়াতি করা অত্যন্ত নিন্দনীয় কাজ।
জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা উচিত।”
এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জাল ভিজিএফ কার্ড তৈরির সঙ্গে জড়িত অসাধু চক্রকে শনাক্ত করে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।


















