হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার বড়চর গ্রামে তৃতীয় শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী (৯) পাশবিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে আফরোজ মিয়া (৩৫) নামের একজনের নাম জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত রবিবার (২৪ মে) বিকেলে ওই শিশুটি খাবার কেনার জন্য গ্রামের একটি দোকানে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে একই গ্রামের কনর মিয়ার ছেলে আফরোজ মিয়া ও তার এক সহযোগী শিশুটিকে জোরপূর্বক পার্শ্ববর্তী একটি বাঁশঝাড়ের নির্জন স্থানে নিয়ে যায়।
সেখানে তার মুখে গামছা বেঁধে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয়। শিশুটির চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। পরে পরিবারের লোকজন তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করেন। ঘটনার সময় শিশুটির বাবা বাড়িতে ছিলেন না।
পরবর্তীতে সোমবার (২৫ মে) দুপুরে মা তাকে চিকিৎসার জন্য নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে শিশুটির অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগীর মা অভিযোগ করে বলেন, “আমার মেয়েটি দোকান থেকে খাবার কিনে বাড়ি ফেরার পথে আফরোজ ও তার সহযোগী তাকে মুখ চেপে ধরে বাঁশঝাড়ে নিয়ে ধর্ষণ করেছে। আমরা এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।”
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোনায়েম মিয়া জানান, “বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে এবং আমরা এ ব্যাপারে কাজ করছি। তবে এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পাওয়ার পর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
বর্তমানে ভুক্তভোগী শিশুটি হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।


















