আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছেন ঘরমুখো মানুষ।
শনিবার (২৩ মে) সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন বাস টার্মিনালে ছিল যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড়। বিশেষ করে মহাখালী বাস টার্মিনাল এলাকায় অন্যান্য দিনের তুলনায় যাত্রীদের উপস্থিতি ছিল অনেক বেশি।
সকাল থেকেই পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গ্রামের পথে রওনা হতে দেখা যায় অনেককে। একের পর এক আন্তঃজেলা বাস যাত্রী নিয়ে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে ছেড়ে যায়। কেউ যাচ্ছেন বগুড়া, কেউ ময়মনসিংহ, সিরাজগঞ্জ কিংবা জামালপুরে।
তবে ঈদযাত্রার শুরুতেই বিভিন্ন রুটে বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ তুলেছেন যাত্রীরা। বিশেষ করে নন-ব্র্যান্ড ও লোকাল পরিবহনগুলোতে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
মহাখালী বাস টার্মিনালে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) একটি অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করেছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)-এর একটি ভিজিল্যান্স টিমও দায়িত্ব পালন করছে।
টার্মিনালের বিভিন্ন কাউন্টারে যাত্রীদের দীর্ঘ সারি এবং ওয়েটিং জোনে বাসের অপেক্ষায় বসে থাকতে দেখা গেছে অনেককে।
বগুড়াগামী যাত্রী সোহান জানান, আগে একতা বাসে ৫৫০ টাকায় যাতায়াত করলেও এবার একই রুটে ৫৮০ টাকা নেওয়া হয়েছে। কাউন্টারে জানতে চাইলে এটি বিআরটিএ নির্ধারিত নতুন ভাড়া বলে জানানো হয়।
অন্যদিকে ময়মনসিংহগামী মাসুদ হাসান বলেন, ইউনাইটেড বাসে এখনও নির্ধারিত ভাড়াই নেওয়া হচ্ছে। তবে যাত্রী বেশি হওয়ায় বাস পেতে দেরি হচ্ছে। তারপরও ঈদে বাড়ি ফিরতে সবাই ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করছেন।
সরিষাবাড়িগামী যাত্রী সুমন তালুকদার অভিযোগ করে বলেন, সাধারণ সময়ে যে ভাড়া ৩৫০ টাকা, এখন তা ৫০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। ঈদ এলেই কিছু পরিবহন অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এদিকে পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদকে সামনে রেখে যাত্রীচাপ বেড়ে যাওয়ায় টার্মিনালগুলোতে বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে। আগামী কয়েক দিনে ঘরমুখো মানুষের সংখ্যা আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে।


















