মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে পরিস্থিতি দিনদিন গুরুতর হয়ে উঠেছে। প্রাণ রক্ষা করতে কিছু মার্কিন সেনাকে ঘাঁটি ছাড়তে বাধ্য হতে হচ্ছে এবং তারা হোটেল বা অফিস স্পেসে কাজ করছেন।
এতে সাধারণ মানুষও ঝুঁকির মুখে পড়েছেন, জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ।
ওপেন-সোর্স বিশ্লেষক ফ্যাবিয়ান হিনজের তথ্য অনুযায়ী, ইরান মোট ১০৪টি মার্কিন ও আঞ্চলিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কুয়েতের আলি আল সালেম ঘাঁটি (২৩ বার হামলা), ক্যাম্প আরিফজান (১৭ বার) এবং ক্যাম্প বুহরিং (৬ বার)। এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, ইরাক, কাতার, সৌদি আরব ও জর্ডানের ঘাঁটিতেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
হিনজ জানান, স্যাটেলাইট ছবি বিশ্লেষণে হ্যাঙ্গার, যোগাযোগ অবকাঠামো, স্যাটেলাইট যন্ত্রপাতি ও জ্বালানি সংরক্ষণাগার ক্ষতিগ্রস্ত দেখা গেছে। আলি আল সালেমের একটি বড় গুদাম সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে। কাতারের আল উদেদ বিমান ঘাঁটিতে একাধিক অ্যান্টেনা ও স্যাটেলাইট অ্যারের ধ্বংসাবশেষ ধরা পড়েছে।
ইরানি সূত্র দাবি করেছে, হামলায় তাদের সবচেয়ে উন্নত খোররামশাহর-৪ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহৃত হয়েছে। সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের জরিপে দেখা গেছে, এই হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের কমপক্ষে ৮০০ মিলিয়ন ডলার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।


















