জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, বাংলাদেশের চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানকে নাই করে দেওয়া হচ্ছে। আমরা যেটা বলব, সংস্কার যদি পার্লামেন্টে (সংসদে) বাস্তবায়ন না হয় সেটা মাঠে গড়াবে। রাজনৈতিকভাবে সেটার ফয়সালা হবে।
সংস্কার বিচার হতেই হবে। আপনারা দেখেছেন বিচারপতি মানিক ইনু মেনন যারা শেখ হাসিনার বৈধতা উৎপাদন করেছিল ভারতের সাথে মিলে, তাদেরকে বিভিন্ন মামলায় জামিন দেওয়া হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে স্বাধীনতা দিবসে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মত্যাগকারীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এসে সাংবাদিকদের এমন কথা বলেন তিনি।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, গতকালকে শহীদ মিনারে জয় বাংলা স্লোগান দেওয়া হয়েছিল। আমাদের এখনো বিচার হয়নি। শহীদ ফ্যামিলি এবং আমাদের যারা আহত ভাইয়েরা রয়েছে তাদের এখন আমরা বিচার দিতে পারিনি। এমতাবস্থায় যখন জয় বাংলা স্লোগান হয় সরকারের তত্ত্বাবধানে, তখন এটা আমাদের আশঙ্কা সৃষ্টি করে যে ইলেকশনটা ইন্ডিয়ার সাথে একটা নেগোসিয়েশন করেই হয়েছে। আওয়ামী লীগের সাথে নেগোসিয়েশন করে হয়েছে। আমরা সরকারকে আহ্বান জানাবো, এই জায়গা থেকে সরে আসার জন্য। যদি সরকার স্ট্র্যাটেজি নিয়ে থাকে যে আওয়ামী লীগও মাঠে নামিয়ে দিয়ে অন্যদেরকেও মাঠে নামিয়ে দিয়ে আপনারা দুইজন হলে গৃহযুদ্ধ করেন।
তিনি বলেন, আমরা সরকারের ফাঁদে পা দিব না সরকার যেহেতু দায়িত্ব নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে যারা জয় বাংলা সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আছে বাংলাদেশে তাদেরকে নিবৃত্ত করতে হবে। সরকারি দায়িত্ব নিয়ে সরকার যদি নেগোসিয়েশন করে তাদেরকে বলে দিবেন যান আগের দিন বাঘে খেয়ে ফেলছে নেগোসিয়েশন হয়ে গেছে এখন ক্ষমতায় আসছে আপনাদের জয় বাংলা আপনারা রাখেন এখন বাংলাদেশ জিন্দাবাদে চলবে।
তিনি আরও বলেন, সরকারকে আহ্বান জানাবো আওয়ামী লীগের বিচার এবং সংস্কার এই দুইটা বাংলাদেশে বাস্তবায়ন করতে হবে। যদি এটা না হয় আমাদের হয়তো আবার এই মাঠে নামতে হবে। এখনো অনেকেই বলে যে, একটু ক্রিটিক করে যে তোমরা মাঠে যদি বলো তাহলে নামবে কিনা? মানুষ প্রস্তুত হয়ে আছে সাইলেন্ট হয়ে আছে জাস্ট কল হবে মানুষ মাঠে নামার জন্য প্রস্তুত আছে।
তিনি আরো বলেন, কারণ ইলেকশনে ইঞ্জিনিয়ারিং হয়েছে ইলেকশন পরবর্তীতে আমরা দেখলাম যে বিরোধী দল যখন সংসদে চুপ্পুর বিষয়ে কথা বলেছে সেখানেও তারা কথা রাখেনি। সংস্কার বিষয়ে তারা কথা শুনছে না শহীদ মিনারে তারা হলো জয় বাংলা স্লোগানকে বৈধতা উৎপাদন করছে। আমরা আরো দেখছি ভারতীয় যে চুক্তিগুলা সে বিষয়ে তারা কথা বলছে না তাহলে তো আমাদের রাজপথ ছাড়া কোন উপায় নাই আমাদের রাজপথে যেতে বাধ্য হতে হবে।


















