গোপালগঞ্জ জেলার তিনটি সংসদীয় আসন দলকে উপহার দেওয়ায় এবার গোপালগঞ্জ থেকে মন্ত্রীত্ব আসবে—এমন দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ডা. কে এম বাবর। তিনি বলেন, “গোপালগঞ্জের মানুষ যে বিশ্বাস ও ভালোবাসা দেখিয়েছেন, তার যথাযথ প্রতিদান দেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ।”
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে এক বক্তব্যে তিনি বলেন, স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে যে কমিটমেন্ট তিনি করেছেন, তা আগামী তিন মাসের মধ্যেই ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। বিশেষ করে সরকারি হাসপাতাল ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, জরুরি চিকিৎসা সুবিধা সহজলভ্য করা এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমানোই হবে তার মূল লক্ষ্য।
তিনি আরও বলেন, “গোপালগঞ্জ-২ আসনের প্রতিটি মানুষের খোঁজখবর আমি নিজে রাখব। কেউ যদি রাত তিনটায়ও আমাকে ফোন দেয়—আমি সাড়া দেব। জনগণের পাশে থাকা শুধু রাজনৈতিক দায়িত্ব নয়, এটা আমার নৈতিক অঙ্গীকার।”
ডা. বাবরের বক্তব্যে উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক সাড়া পড়ে। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি লেলিন সিকদার, সাবেক ছাত্রদলের সম্পাদক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জিয়াউল কবির বিপ্লব প্রমুখ।
অনেকেই মনে করছেন, দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত স্বাস্থ্য খাতে এই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হলে গোপালগঞ্জবাসীর জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে। সমাবেশ শেষে দলীয় নেতারা জানান, গোপালগঞ্জে উন্নয়নের নতুন অধ্যায় শুরু হতে যাচ্ছে—যেখানে স্বাস্থ্য, সেবা ও জনগণের সরাসরি অংশগ্রহণই হবে মূল চালিকাশক্তি।


















