এসএসসি পাস করেছেন ১৯৯৫ সালে। আর বিয়ে হয়েছে ঠিক দুই বছর পর। গাণিতিক হিসাবে বর্তমান বয়স হওয়ার কথা চল্লিশের ঘরে। অথচ জবানবন্দিতে বয়স বলা হয়েছে ৩৫ বছর। এই গরমিলই সামনে এসেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দেওয়া গুমের একটি মামলার সাক্ষী মুন্নি আক্তারকে ঘিরে। তবে ৪৫-এর বদলে ভুলে ৩৫ বলেছেন বলে জানান তিনি। দেখিয়েছেন জাতীয় পরিচয়পত্র, মাধ্যমিকের সনদসহ অন্যান্য নথিও। কিন্তু তথ্যের এমন ফারাক মানতে নারাজ আসামিপক্ষ। বয়স নিয়ে রীতিমতো ছলচাতুরি কিংবা লুকোচুরির অভিযোগও তাদের। এমনকি সাক্ষ্যের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও তুলেছে নানা প্রশ্ন।
বয়স নিয়ে বিতর্ক দেখা দেওয়া মুন্নির জাতীয় পরিচয়পত্র, এসএসসি পরীক্ষার সনদসহ মামলার কিছু নথিপত্র এসেছে ঢাকা পোস্টের হাতে। জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী মুন্নির জন্ম হয়েছিল ১৯৮০ সালের ২০ অক্টোবর। এসএসসি পরীক্ষার সালও ঠিকঠাক। সেই হিসাবে তার বর্তমান বয়স দাঁড়িয়েছে ৪৫ বছরে। তার মেয়ের পরিচয়পত্রেও বাবার নামের জায়গায় এসেছে নজরুল ইসলামের কথা।
ট্রাইব্যুনাল সূত্র জানায়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ বিচারাধীন একটি গুমের মামলার তিন নম্বর সাক্ষী মুন্নি আক্তার। নিজের স্বামী নজরুল ইসলামের হত্যার বিচার চেয়ে সাক্ষ্য দিয়েছেন তিনি। আওয়ামী লীগের শাসনামলে শতাধিক গুম-খুনের দায়ে হওয়া মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলার একমাত্র আসামি মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান। গত ৮ এপ্রিল মুন্নির জবানবন্দি রেকর্ড করেন ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেল। তার জেরা শেষ হয় ১২ এপ্রিল।

জবানবন্দিতে নিজের বয়স ৩৫ বছর উল্লেখ করেন মুন্নি। তার বাড়ি ঝালকাঠির নলছিটিতে। বর্তমানে বিভিন্ন বাসায় ছাত্র পড়িয়ে সংসারের খরচ মেটান। পিলখানায় বিডিআর হাসপাতালে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করতেন তার স্বামী নজরুল ইসলাম।
জানা গেছে, ২০০৯ সালে বিডিআর বিদ্রোহে হত্যাকাণ্ড দেখে প্রাণের ভয়ে দেয়াল টপকে বেরিয়ে যান নজরুল ইসলাম। ২০১০ সালে চাকরি নেন গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার মধুমতি ক্লিনিকে। চাকরির সুবাদে ভাড়া বাসায় স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে থাকতে শুরু করেন। তবে নিজের আসল নাম আড়ালে রেখে নুরুল আমিন মুন্সি নামে চলাফেরা করতেন তিনি। চাকরিও নেন ছদ্মনামে। ওই বছরেরই ১৫ মার্চ কর্মস্থল মধুমতি ক্লিনিকে গিয়ে আর বাসায় ফেরেননি। সন্ধ্যা পেরিয়ে গেলেও না ফেরায় খবরটি নজরুলের ছোট ভাই মোহাইমিনুল ইসলামকে জানান মুন্নি। পরদিন সকালে মেয়েকে নিয়ে মধুমতি ক্লিনিকেও যান স্ত্রী।
নজরুলের সঙ্গেই কাজ করতেন রুহুল আমিন শেখ। কিন্তু ক্লিনিকে এসে মুন্নি জানতে পারেন, তিনি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে ছুটে গিয়ে রুহুল আমিনকে স্বামীর কথা জিজ্ঞেস করেন তিনি। তখনই জানতে পারেন, ১৫ মার্চ কোটালীপাড়ার বামতার মোড় এলাকা থেকে তার স্বামীকে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যান সাদা পোশাকে পাঁচ-ছয়জন লোক। আর রুহুল আমিনকে মারধরের পর ফেলে রেখে যান। এ ঘটনায় ভাসুর গিয়াস উদ্দিনকে সঙ্গে নিয়ে ১৭ মার্চ কোটালীপাড়া থানায় নজরুলকে অপহরণের একটি মামলা করেন মুন্নি। এরপর শ্বশুরবাড়িতে চলে যান।

মুন্নির জবানবন্দিতে উল্লেখ করা হয়, স্বামী নিখোঁজের পর থেকেই বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন আসতেন তার বাড়িতে। একদিন নজরুল ইসলামের মরদেহের সন্ধান দেন ঝালকাঠি থেকে আসা পুলিশের বিশেষ শাখা বা ডিএসবির লোক। বাগেরহাটের শরণখোলার বলেশ্বর নদী থেকে উদ্ধার করা হয় মরদেহটি। আর খবরটি মুহূর্তেই অন্যান্য ছেলেদের জানান মুন্নির শ্বশুর। তার দেবর জাহিদুল ইসলাম শাহীন চাকরি করতেন বিডিআরে। পত্রিকায় মরদেহের ছবি দেখে মুন্নির কাছে পোশাকের বর্ণনা জেনে শনাক্ত করেন শাহীন। এরপর আত্মীয়-স্বজন নিয়ে শরণখোলা থানায় যান তারা। পরিধেয় পোশাক দেখিয়ে মরদেহ ফেরত চাইলে আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের মাধ্যমে বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ। পরে জেলা প্রশাসকের সহায়তায় ডিএনএ পরীক্ষা শেষে নজরুলের মরদেহ তুলে বাড়িতে এনে পুনরায় পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
জবানবন্দিতে মুন্নি জানান, র্যাবের তৎকালীন গোয়েন্দা প্রধান জিয়াউল আহসান তার স্বামীকে গুমের পর হত্যা করেছে বলে জানতে পারেন। তবে এ নিয়ে তাৎক্ষণিক আপত্তি জানান আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। পরে স্বামীর গুম ও হত্যার বিচার চান মুন্নি। একইসঙ্গে মরদেহ উদ্ধারের পর তোলা স্বামীর একটি ছবি দাখিল করেন তিনি। ছবিতে হাত-পা ও চোখ বাঁধা ছিল। এছাড়া মাথায় জমটুপি পরানো, পেট কাটা, নাড়িভুঁড়ি বের হওয়া ও মুখ ছিল বিকৃত। আর এ ছবি জমা দেওয়ার সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন সাক্ষী। মূলত বিডিআর হত্যাকাণ্ড নিজের চোখে দেখে ফেলার কারণেই তার স্বামীকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেন মুন্নি।
জবানবন্দি শেষ হতেই জেরায় মুন্নিকে বিভিন্ন প্রশ্নের বাণে ফেলেন জিয়াউলের আইনজীবী আমিনুল গণি টিটো। প্রথম প্রশ্নই ছিল বয়স নিয়ে। এসএসসি পরীক্ষায় পাস ও বিয়ে করেছেন কত সালে এমন প্রশ্নে মুন্নি জানান, ১৯৯৫ সালে এসএসসি পাস করেছেন তিনি। বিয়ে হয়েছে ১৯৯৭ সালে। এরপরই তার বয়স নিয়ে নানা প্রশ্নের দানাবাধে। দ্বিতীয় দফা তথা ১২ এপ্রিলও এ নিয়ে জেরা করেন জিয়াউলের আইনজীবী। স্বামীকে ছদ্মনাম ব্যবহারে সহযোগিতার দাবি তুললে না সম্বোধন করেন মুন্নি। এছাড়া ২০২৫ সালের ২ অক্টোবর এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তার কাছে দেওয়া জবানবন্দিতেও ৩৫ বছর বয়স উল্লেখ করেছেন বলে জানান টিটো। জবাবে এমন কিছু বলেননি দাবি করেন সাক্ষী।

জিয়াউলের হয়ে আইনি লড়াই করছেন তার বোন ও আইনজীবী নাজনীন নাহার। বয়স নিয়ে সাক্ষী ছলচাতুরি ও লুকোচুরি করেছেন বলে অভিযোগ তার। তিনি ঢাকা পোস্টকে বলেন, আমরা আগেই বিষয়টি শনাক্ত করেছি। কারণ তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছেও বয়স ৩৫ বছর বলেছেন মুন্নি আক্তার। জবানবন্দিতেও একই বয়স উল্লেখ করেছেন। তাই এটি কোনোভাবেই ভুল নয়। কারণ মানুষ ভুল করলে একবার করে, দুবার করে না।
প্রথম দিন জেরা শেষ করতে দেওয়া হয়নি অভিযোগ তুলে নাজনীন বলেন, সাক্ষীর হিসাব মতে পাঁচ বছর বয়সে এসএসসি পাস করেছেন। বিয়ে করেছেন সাত বছরে। ৮ এপ্রিল যখনই আমরা এসব প্রশ্ন করা শুরু করলাম তখনই প্রসিকিউশনের পক্ষে সময় চাওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় দ্বিতীয় দফায় ভালোভাবে জেনেশুনে ও লেখাপড়া করে এসেছেন সাক্ষী। এছাড়া বয়স কম উল্লেখ করা নিয়ে বলেছেন ট্রাইব্যুনাল দেখে ভয় পেয়েছেন। প্রকৃতপক্ষে তিনি ভয় পাওয়ার মতো লোক নন বলে মনে হয়েছে। কারণ বেশ সাবলীল ভাষায় আমাদের সব প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন তিনি। তবে আমরা আদালতকে বলেছি এই সাক্ষী অভ্যাসগত মিথ্যা কথা বলেছেন।
আসামিপক্ষের এই আইনজীবীর দাবি, কোটালিপাড়া থানায় করা এজাহারের কোথাও বলা হয়নি নজরুল ইসলাম অপহরণ হয়েছে। নাম ছিল নুরুল আমিন মুন্সির। বিডিআরে চাকরি করতেন-এমন কথাও উল্লেখ ছিল না। দুই মাস পর মরদেহ উদ্ধার হয়েছে বলেশ্বর নদী থেকে। মরদেহ উদ্ধারের পর সুরতহাল প্রতিবেদন বা মুন্নির বক্তব্যের সঙ্গে এ জবানবন্দির মিল নেই। কারণ তিনি বলেছেন, পেট কাটা বা নাড়িভুঁড়ি বের হওয়ার কথা, যা ওই প্রতিবেদনের কোথাও নেই। সুরতহাল প্রতিবেদন অনুযায়ী নজরুল ইসলামকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। মূলত ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বে তাকে অপহরণ করা হয়েছিল।
একজন মানুষকে খুন করতে কারণ লাগে জানিয়ে নাজনীন নাহার বলেন, বিডিআর হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের তালিকায় নজরুলের নাম নেই। এরপরও তিনি ফিরে যাননি। অথচ যাদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট অভিযোগ ছিল, তাদের নামে মামলা হয়েছে। কিন্তু স্বামীর বিরুদ্ধে বিডিআরে কোনো মামলা হয়েছে কিনা জবানবন্দির কোথাও উল্লেখ করেননি মুন্নি আক্তার। অতএব তাকে ভাসিয়ে দেওয়ার মতো কোনো ঘটনা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঘটেনি। তবে বিডিআর বিদ্রোহের পর যারা পলাতক ছিল বা ফিরে যাননি, তাদের খোঁজার দায়িত্ব ছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর। এছাড়া তদন্ত কর্মকর্তার কাছে দেওয়া জবানবন্দিতে জিয়াউল আহসানের নাম উল্লেখ করেননি এই সাক্ষী।
জিয়াউলের আইনজীবীদের ভাষ্যমতে, নজরুল ইসলাম মারা গেছেন। এটা ডিএনএ পরীক্ষায়ও প্রমাণিত। তবে তাকে কে হত্যা করেছে, সেটিই এখন মূল প্রশ্ন। কেননা এই সাক্ষীর পরিচয় নিয়ে বিভ্রান্তি রয়েছে। তিনি বিশ্বাসযোগ্য নন। বরং শেখানো সাক্ষী। এসব বিষয়ে যুক্তিতর্কে বিস্তারিত উপস্থাপন করা হবে। পাশাপাশি সাক্ষীকে ‘ভুয়া’ প্রমাণের মতো তথ্য রয়েছে বলেও জানান তারা।
প্রসিকিউশন সূত্র জানায়, বিডিআর হত্যাকাণ্ডের একজন সাক্ষী ছিলেন নজরুল ইসলাম। এজন্য আসামি হওয়ার ভয়ে তিনি পালিয়ে গিয়েছিলেন। পরে নাম পরিবর্তন করে নুরুল ইসলাম মুন্সি নামে চাকরি করেছিলেন তিনি। কিন্তু তালিকায় নাম থাকায় তার খোঁজে নামে বিডিআর। একইসঙ্গে জিয়াউল আহসানের সহযোগিতা চাওয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতেই এই সেনা কর্মকর্তার পরিকল্পনামতে নজরুলকে তুলে নেওয়া হয়। এরপর তাকে হত্যা করা হয়। মূলত জীবন বাঁচাতেই অন্যের নাম ধারণ করেছিলেন নজরুল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বাঁচতে পারলেন না। এছাড়া তার ছদ্মনাম ব্যবহারের কথাটি আগের মামলায়ও উঠে এসেছে।
এ প্রসঙ্গে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, মুন্নি আক্তার একজন গৃহবধূ। তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে প্রথমবারের মতো সাক্ষ্য দিয়েছেন। সঙ্গত কারণেই তিনি ৪৫ বলতে হয়তো ৩৫ বলেছেন। এটা বড় কোনো ভুলও নয়। এছাড়া তিনি সংশোধনও করেছেন। এনআইডিসহ যাবতীয় সব প্রমাণাদি তিনি দেখিয়েছেন। এছাড়া তার স্বামী যখন অপহরণের শিকার হলেন ও পরবর্তী সময়ে শরণখোলায় মরদেহ পাওয়া গেল; এই দুই ঘটনারই পৃথক থানায় মামলা হয়েছিল। এসব প্রতিবেদনে পুলিশ পরিষ্কার করেই বলেছে যে, মরদেহটি নজরুলের। যিনি বিডিআরে কর্মরত ছিলেন।
ছদ্মনাম ব্যবহারে আসামিপক্ষের অভিযোগ নিয়ে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, বিডিআর বিদ্রোহের পর পিলখানা থেকে পালিয়ে আসায় পুলিশের হাত থেকে রেহাই পেতেই হয়তো ছদ্মনাম ধারণ করেছিলেন নজরুল। কিন্তু মরদেহটা যে মুন্নী আক্তারের স্বামীরই ছিল, তা জেরাতেই স্বীকার করে নিয়েছেন তিনি। ছদ্মনাম ধারণ করে চাকরি করতেন, এটাও স্বীকার করে নিয়েছেন। সেই হিসাবে আসামিপক্ষের বাকি জেরার আর কোনো গুরুত্বই থাকে না। কারণ তার জবানবন্দিই প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেল। যদি হত্যাকাণ্ডের শিকার নজরুলের স্ত্রী বলে স্বীকার না করতেন, তাহলে বয়সের পার্থক্য নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারতো। যেহেতু এ নিয়ে নথিপত্র দেখানো হয়েছে, সেহেতু এ মামলায় এর কোনো প্রভাব পড়বে না।
সাক্ষীকে ভুয়া দাবি বা শিখিয়ে আনা হয়েছে- এমন প্রশ্নে আমিনুল বলেন, সাক্ষী ভুয়া আর শিখিয়ে আনা দুটো একসঙ্গে যায় না। শেখানো সাক্ষী দাবি করলেও জেরার মাধ্যমে তা প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি তারা। উল্টো জেরার মধ্যেই সাক্ষীর মুখ থেকে স্বীকার করে নিলেন যে, নজরুল ইসলামের স্ত্রী ছিলেন তিনি। এই কথাটা চ্যালেঞ্জও করেননি তারা। আসামিপক্ষ যদি চ্যালেঞ্জ না করে, তাহলে এসব স্বীকৃত বলে গণ্য হয়। অর্থাৎ তাদের অভিযোগের গ্রহণযোগ্যতা নেই।
সাক্ষীর বয়সের গরমিল ঘিরে বিতর্ক থাকলেও নথিপত্র, জেরা ও উভয়পক্ষের যুক্তিতর্কের আলোকে সাক্ষ্যের গ্রহণযোগ্যতা শেষ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালই নির্ধারণ করবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

















