ইয়াহিয়া খান, চৌহালী সংবাদদাতা :
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে সরকারী প্রকল্পের সাড়ে ৬শত কোটি টাকার বাজেট যমুনা নদী ভাঙ্গন এবং ভাঙ্গনরোধের কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেছেন সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড.এম এ মহিদ।
আজ বুধবার (২০ নভেম্বর) দুপুর ১২ টার দিকে ব্রাহ্মণগ্রাম ঈদগা মাঠে প্রাঙ্গণে যমুনা নদীর তীরবর্তী এলাকায় ৯নং খুকনী ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক হাজী মোঃ গোলাম হোসেন গোলাপের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মোঃ নজরুল ইসলামের সঞ্চালনায় এ পরিদর্শন করা হয়।
পরবর্তীতে দুপুর ২ টার দিকে ১৩নং জালালপুরে অ্যাড. মোঃ দুলাল হোসেনের সভাপতিত্বে মোঃ ওসমান গনির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. এম এ মুহিত। সফর সঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শাহজাদপুর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি ইকবল হাসান হিরু, সাধারণ সম্পাদক আরিফুজ্জামান আরিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক তোফাজ্জাল হোসেন তোতা, প্রচার সম্পাদক সাংবাদিক আল আমিন হোসেন, শাহজাদপুর উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি আবুবকর রঞ্জু, সাধারণ সম্পাদক বাঘা, সেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শাহরিয়ার ইমন, এনায়েতপুর হাট বণিক সমিতির সভাপতি মোঃ মাসুদ রানা, সোনাউল্লা সরকার, এনায়েতপুর থানা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক লিয়াকত হোসেন, মোঃ রবিউল সরকার, রেজা সরকার।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, এনায়েতপুর থানা বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্নআহ্বায়ক মোঃ রওশন আলী মন্টু সরকার, যুগ্নআহ্বায়ক জেলা বিএনপির উপদেষ্টা আঃ সালাম, আবু সালেহ আহম্মেদ জামিল, এনায়েতপুর থানা যুবদলের সদস্য সচিব মোঃ সাইদুল ইসলাম রাজ।
এ সময়ে ড. এম এ মুহিত বলেন, এনায়েতপুর থেকে শাহজাদপুরের মনাকষা পর্যন্ত ৬৪৭ কোটি টাকার কাজের ৪ বছরে তেমন অগ্রগতী না থাকায় হাজার ঘরবাড়ি নদীতে হারিয়েছে মানুষ। কাজের ঠিকাদার আওয়ামীলীগের অনুসারীরা শুধু লুটপাট করে গেছে। মেয়াদ শেষে কাজের কাজ কিছুই হয়নি। আমরা আর নদী ভাঙ্গা মানুষের কান্না শুনতে চাইনা। আগামী বন্যার আগেই কাজের সমাপ্তি দেখতে চাই। তিনি বলেন, আওয়ামীলীগ সব লুট করে পালিয়েছে। আর আমরা দেশ প্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের উন্নয়ন ও মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। এজন্য দলের কেউ বিপরীতে ও অন্যায়ে যুক্ত হলে তাকেও শাস্তির আওতায় আনা হবে।
















