মোবাশ্বের নেছারী, কুড়িগ্রাম সংবাদদাতা :
কুড়িগ্রামের চিলমারী নৌবন্দরে চিলমারী-রৌমারী নৌপথে নাব্যতা সংকটের কারনে ফেরি চলাচল সম্পুর্ণ বন্ধ রয়েছে। ব্রহ্মপুত্র নদে নাব্যতা সংকটের কারণে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি)।
এ অবস্থায় গত ডের সপ্তাহ ধরে পারাপারে অপেক্ষারত পণ্যবহী ট্রাক ও যাত্রী সাধারণ চরম ভোগান্তিতে পড়ছে।
বিআইডব্লিউটিসি ব্রহ্মপুত্র নদের নাব্যতা সংকটের কারণে গত ৮ নভেম্বর ২০২৪ থেকে এ রুটে ২টি ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেয়। এর ফলে অপেক্ষারত শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাকসহ যাত্রী সাধারণ ভোগান্তি নিয়ে
ইতিমধ্যে ফেরত চলে গেছে।
বিআইডব্লিউটিসি সূত্রে জানায়, গত বছরের ২০ সেপ্টেম্বর থেকে চিলমারী-রৌমারী নৌপথে কুঞ্জলতা ও বেগম সুফিয়া কামাল নামের দুটি ফেরি পণ্যবাহী ট্রাকসহ যাত্রী নিয়ে নিয়মিত পারাপার করে আসছিল।
চলতি মাসের শুরু থেকে চিলমারীর ব্রহ্মপুত্র নদে নাব্যতা সংকট দেখা দেওয়ার কারণে তুলনামূলক কম সংখ্যক পরিবহন ও যাত্রী নিয়ে ফেরি চলাচল করছিল।
গত ৮ সেপ্টেম্বর ব্রহ্মপুত্র নদের রৌমারী ঘাট এলাকায় নাব্যতা সংকটের কারণে ফেরির নিচের অংশ আটকে গিয়ে চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে চিলমারী বন্দর ঘাটে আটকে পড়ে শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক। পরে সপ্তাহ খানিক অপেক্ষা করে ফেরত চলে যায়।
এদিকে ভূরুঙ্গামারী সোনাহাট স্থলবন্দর থেকে আসা ট্রাক চালক আমিনুল বলেন, ‘১০ দিন ফেরির অপেক্ষায় ছিলাম আজ ফেরত যাচ্ছি।
লালমনিরহাট থেকে আসা জনৈক যাত্রী এরশাদ জানান, ‘ঘাটে এসে শুনি ফেরি যোগাযোগ বন্ধ। বাধ্য হয়ে নৌকায় যেতে হবে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) চিলমারী নৌবন্দরের দায়িত্বরত ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) প্রফুল্ল চৌহান জানান, নদী খনন কাজ চলমান। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ফেরি চলাচল সাভাবিক হলেই মার্কিং করে জানিয়ে দেওয়া হবে।
















