মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমদ আজম খান জানিয়েছেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় রাজনৈতিক কারণে তালিকাভুক্ত ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে ৪৮১ জন অমুক্তিযোদ্ধার গেজেট বাতিল করা হয়েছে।
রবিবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল মালিকের ৭১ বিধিতে দেওয়া নোটিশের জবাবে মন্ত্রী এই তথ্য জানান। সংসদ সদস্য আব্দুল মালিক উল্লেখ করেন, বিগত ১৫ বছরে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা অবহেলিত ছিলেন এবং অনেক অসাধু ব্যক্তি ভুয়া তথ্য দিয়ে তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করে রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেছেন। বিশেষ করে সিলেটের বালাগঞ্জ ও দক্ষিণ সুরমা অঞ্চলে এর প্রভাব বেশি পড়েছে।
মন্ত্রী বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধারা দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান, আর ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা বলতে কিছু নেই। তবে কিছু সুযোগসন্ধানী ব্যক্তি অসাধু উপায়ে তালিকায় ঢুকে পড়েছে। জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) উপকমিটি অভিযোগের ভিত্তিতে নিয়মিত শুনানি ও যাচাই-বাছাই করছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের সনদ ও গেজেট বাতিল করা হবে।
আহমদ আজম খান আরও জানান, প্রবাসে অবস্থানরত মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য দ্রুত ডিজিটাল সনদ বা স্মার্ট আইডি প্রদানের ব্যবস্থা করা হবে। দক্ষিণ সুরমা, বালাগঞ্জ ও ফেঞ্চুগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স নির্মাণ ও সংস্কারের কাজ সরকারের পরিকল্পনায় রয়েছে।


















