বাংলা ভয়েস ডেস্ক :
কারাগারে সাক্ষাৎ ও মোবাইলে কথা বলার দ্বন্দ্বে এক সার্জেন্ট ইনস্ট্রাক্টরকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে কারাবন্দির বিরুদ্ধে।
আজ বুধবার (২৯ জানুয়ারি) সকালে গাজীপুর জেলা কারাগারে বিচার বৈঠকে এ ঘটনা ঘটে। পরে আহত মো. ফয়েজ উদ্দিনকে দ্রুত শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে চিকিৎসক তাকে ঢাকায় রেফার্ড করেন।
কারাগার সূত্র জানায়, সম্প্রতি কারাগার থেকে বাইরে স্বজনদের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলার বিল বৃদ্ধি করা হয়েছে। কেন বৃদ্ধি করা হলো? এ নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয় সার্জেন্ট ফয়েজ উদ্দিনের সঙ্গে। এক পর্যায়ে কারা ঘণ্টার হাতুরি দিয়ে তাকে মাথায় আঘাত করেন ওমর ফারুক নামে এক বন্দি। অভিযুক্ত ওমর ফারুক ওয়ারেন্টভুক্ত (কাপাসিয়া থানা,
জি আর ৪০০/২০১৯) আসামি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কারা কর্মকর্তা জানান, নতুন জেল সুপার দায়িত্ব নেওয়ার পর নিয়মবহির্ভূতভাবে সার্জেন্ট দিয়ে বিচার বৈঠক ডিউটি করাচ্ছেন। আর বাইরে সুবেদারদের ডিউটি দিয়েছেন। জেল সুপারের স্বেচ্ছাচারিতায় বন্দি ওমর ফারুকে ডাণ্ডাবেরি পরিয়ে রাখা হয়।
শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. শেখ ফরহাদ বলেন, ‘সকালে জেলা কারাগারের একজন মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত সার্জেন্ট চিকিৎসা নিতে এসেছিলেন। গুরুতর হওয়ার তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
এবিষয়ে গাজীপুর জেলা কারাগারের জেল সুপার মোহাম্মদ রফিকুল কাদের বলেন, ‘বন্দি ওমর ফারুক পেছন থেকে হঠাৎ করে সার্জেন্ট ফয়েজের ওপর হামলা করেন। পরে তাকে উদ্ধার করে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস মেডিক্যালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
নিয়মবহির্ভূতভাবে সার্জেন্টকে দিয়ে দায়িত্ব পালন করার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমার কারাগারে বন্দি ধারণ ক্ষমতা রয়েছে ৩০০ জন কিন্তু বর্তমানে বন্দি রয়েছেন ১৬০০ জন। এখানে লোকবলের সংকট থাকায় ভেতরে সার্জেন্টকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। অর্থের বিনিময়ে বন্দিদের সাথে সাক্ষাৎ এবং মোবাইল ফোনে কথা বলার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে অন্যদিন বিস্তারিত বলা যাবে।
















