মোবাশ্বের নেছারী, কুড়িগ্রাম সংবাদদাতা :
ঘন কুয়াশা ও কনকনে ঠান্ডায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে কুড়িগ্রামের জনজীবন। গত কয়েক দিন ধরে সুর্যের দেখা মিলছে না। হাড় কাঁপানো ঠান্ডায় সবচেয়ে বেশি কষ্টে জেলার নিম্ন আয়ের মানুষজন।
আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এদিকে সারাদিন সূর্য্য ঘন কুয়াশার চাদরে ঢেকে থাকায় ঠান্ডা প্রকোপ অনেকটা বেড়ে গেছে। বিশেষ করে জেলার নদনদীর তীরবর্তী চরাঞ্চল ও এর আশপাশের মানুষজন পরেছেন দারুন বিপাকে। এঅবস্থায় শিশু ও বয়স্করা শীতজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।
কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী উপজেলার জোরগাছ বাজার এলাকার কৃষক আব্দুর রশিদ জানান, ঠান্ডায় হাত-পা অবস হয়ে আসছে। জমিতে চাষাবাদ তো দুরের কথা অতি প্রয়োজনীয় চলাচল করা যাচ্ছে না। একই এলাকার
ব্যবসায়ি শাহজাহান আলী এবং ডা: মাহমুদুল হাসান জানান, এতো ঠান্ডায় হাত পা বরফ হয়ে যাচ্ছে। শরীর ব্যথা করছে।
এদিকে প্রচন্ড ঠান্ডায় এলাকার নিম্ন আয়ের মানুষেরা গরম কাপড়ের অভাবে পারেছেন। বিশেষ করে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন শিশু ও বয়স্করা।অনেকে খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারনের চেষ্টা করছেন।
জেলার ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আব্দুল হাই সরকার বলেন, জেলার ৯ উপজেলায় ৩৪ হাজার ৭২২টি কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।
কুড়িগ্রাম কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, আজ জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। তাপমাত্রা আরও কমার সম্ভাবনা রয়েছে।
















