ডালিম কুমার দাস টিটু, লক্ষ্মীপুর সংবাদদাতা :
লক্ষ্মীপুরে চেয়ারম্যানদের অনুপস্থিতিতে ১১টি ইউনিয়ন পরিষদে প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
সদর উপজেলায় সাতটি ও কমলনগর উপজেলায় চারটি ইউপিতে প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। সাম্প্রতি লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক রাজীব কুমার স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয় ।চিঠিতে বলা হয় অপসারণ হওয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা ধারাবাহিকভাবে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় জনসেবাসহ সাধারণ কার্যক্রম ব্যহত হচ্ছে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সাধারণ মানুষ।
তারই পরিপ্রেক্ষিতে জনসেবাসহ সাধারণ কার্যক্রম অব্যাহত রাখার জন্য নির্দিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদগুলোতে প্রশাসক হিসেবে সরকারি কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ৫ আগস্টের আন্দোলনের পর থেকে (নির্দিষ্ট কিছু চেয়ারম্যান) সদর উপজেলার ২১ টি ইউনিয়নের মধ্যে ৭টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং কমলনগরের ৪টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা আত্মগোপনে আছেন তারা দীর্ঘ সময় পরিষদে অনুপস্থিত।
তারা হলেন চররুহিতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর পাটওয়ারী, বাঙ্গাখাঁর চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান ভুঁইয়া, লাহারকান্দির চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম, দিঘলীর চেয়ারম্যান সালাহ উদ্দিন চৌধুরী জাবেদ, চরশাহীর চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম, চররমনী মোহনের আবু ইউছুফ ছৈয়াল ও মান্দারীর সোহরাব হোসেন রুবেল পাটওয়ারী। তাঁরা গত ৪ আগস্ট লক্ষ্মীপুরে ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থানে চার শিক্ষার্থী হত্যার ঘটনায় মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।অন্যদিকে কমলনগরের ৪ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা হলেন হাজিরহাট ইউপির চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন, পাটারীর হাটের চেয়ারম্যান নুরুল আমিন রাজু, সাহেবেরহাটের চেয়ারম্যান আবুল খায়ের ও চরমার্টিনের ইউছুফ আলী মিয়া।
এসব ইউনিয়নে নিয়োগপ্রাপ্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তারা হলেন হাজিরহাট ইউনিয়নে কমলনগর উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা মোরশেদ আলম, পাটারিরহাটে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা তুর্য সাহা, সাহেবেরহাটে উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম ও চরমার্টিনে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. মোহসিনসন্ধ্যায় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অভি দাশ ও কমলনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুচিত্র রঞ্জন দাস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।অপসারিত চেয়ারম্যানরা গত ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর থেকে আত্মগোপনে রয়েছেন। তাঁরা ইউনিয়ন পরিষদে অনুপস্থিত।
তবে জেলার অন্য অন্য ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের বিরুদ্ধে এখনও কোন ধরনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। ইউনিয়ন পরিষদ গুলোতে প্রশাসক নিয়োগ দেয়ার মধ্য দিয়ে জনগণ সঠিক সেবা পাবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
















