ইয়াহিয়া খান, চৌহালী (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা :
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকা অসহযোগ আন্দোলনের কর্মসূচি ঘিরে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় বাংলা ভয়েস এর ন্যাশনাল (ডেস্ক) ইনচার্জ শাহ আলম সরকারের কাজে বাঁধা দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
রোববার (৪ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর হাটের আমতলায় এই ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার পর নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন শাহ আলম সরকার। তিনি বলেন, একটি দুষ্কৃতি দল আমার কাজে বাঁধা দিয়েছে।
এ বিয়ষে জানতে চাইলে শাহ আলম সরকার ঘটনার বিবরণ তুলে ধরে বলেন, সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে ঘটনাটি ঘটেছে এনায়েতপুর হাটের আমতলায়। আমি বাংলা ভয়েসের ফেসবুক পেইজে লাইভ দিচ্ছিলাম। তখন একটা দুষ্কৃতি (দল) এসে ঘিরে ধরে বলল এটা কোনটা আমি বললাম বাংলা ভয়েস। তারা বলল এখানে কাউকে নিউজ করতে দিব না। পরে আমার ক্যামেরা ধরে আমাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়।
আমি বললাম ভাই চলে যাচ্ছি, কিন্তু সামনে আগাতে দেয় না। দুষ্কৃতি দল দুই ভাগ হয়ে আমাকে মারতে শুরু করে। এখানে বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের দেখা যায়। এরপর তারা বলল সত্য ঘটনা তুলে ধরতে হবে। আমি বললাম এটা লাইভ চলছে। আমার কথা শুনে তারা বলল ঠিক আছে, ক্যামেরা ও মোবাইল দে। আমার কাছ থেকে ক্যামেরা ও মোবাইল নিয়ে লাইভ ও সব ফুটেজ ডিলিট করে দেয় দুষ্কৃতিরা। এরপর বলে চল হাসপাতালে যায় কতজন আহত-নিহত হয়েছে। সেটা এখন নিউজ করবি।
এরপর দুষ্কৃতিরা আমাকে আটকে রাখে। এসময় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীর একটি দল এসেছে বলে, উনি আমাদের ভাই, তার সাথে এমন ব্যবহার করছেন কেন? দুষ্কৃতি দলের এক লোক বলে সে মিথ্যা প্রচার করছে। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী একজন বলেন, লাইভে মিথ্যা প্রচার করার সুযোগ নেই। এরপর আন্দোলনকারী এক শিক্ষার্থী আমাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় দুষ্কৃতি দলের একজন বলে, তাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন? তখন এক শিক্ষার্থী বলল, তাকে খাজা ইউনুস আলী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে যাচ্ছি, হাসপাতালের তথ্য নিয়ে আসি।
এ কথা বলে এক শিক্ষার্থী একটি ভ্যানে করে আমাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালে এলে ঐ শিক্ষার্থী বলে, আপনি বাসায় চলে যান। আমি আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীর সহযোগিতা পেয়ে সাড়ে ১২ টার দিকে আমার বেলকুচির বওড়া বাড়িতে চলে আসি। আমি একটি দোকানে আমার ক্যামেরার ট্রাইপড রেখে এসেছিলাম, সেটাও নিয়ে আসতে পারি নাই।
















