মোবাশ্নের নেছারী, কুড়িগ্রাম সংবাদদাতা :
কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ ও স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছেন র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) মহাপরিচালক হারুন অর রশিদ। প্রাণ ও স্বাস্থ্যসেবা পেয়ে খুশি হয়েছেন, জলোচ্ছ্বাস ও নদী ভাঙ্গন কবলিত চরাঞ্চলের বাসিন্দারা।
রবিবার (১৪ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের চর যাত্রাপুরে সহস্রাধিক বন্যার্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণের প্যাকেট তুলে দেওয়া হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রায় দুই সপ্তাহ বন্যাকবলিত থাকার পর নদ-নদীর পানি হ্রাস পাওয়ায় জেলার বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও দেখা দিয়েছে খাদ্য সংকট। জেলার ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, ধরলা, দুধকুমার নদ নদীর এলাকার বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি দেখা দিলেও খাদ্য সংকটে পড়েছেন জেলার প্রায় দুই লক্ষাধিক মানুষজন। এসব বন্যাকবলিতদের মাঝে সরকারি ত্রাণ সহায়তা অব্যাহত থাকলেও মোটেও জুটছেনা সবার ভাগ্যে।
ঠিক এ পরিস্থিতিতে ত্রাণ ও চিকিৎসা সেবা নিয়ে চরাঞ্চলে হাজির হয়েছেন র্যাবের মহাপরিচালক। ব্রহ্মপুত্র নদের পাড়ে অসহায় বন্যা দুর্গতদের হাতে ত্রাণের প্যাকেট তুলে দেন র্যাবের মহাপরিচালসহ অন্যান্যরা। আর সেই ত্রাণের প্যাকেট কাঁদে নিয়ে বাড়িতে ফিরেছেন বন্যার্তরা।
ব্রহ্মপুত্র পারের আব্দুল জলিল বলেন, ‘আইজ (আজ) ১৫ দিন ধরি বানের পানিত (পানিতে) আটক থাকি হাতের টেকা (টাকা) সউগ শেষ। আইজ একটা প্যকেট পেলাম। খুব উপকারে আসবে।
ত্রাণ বিতরণ শেষে র্যাবের মহাপরিচালক হারুন অর রশিদ বলেন, র্যাব প্রতিষ্ঠার পর থেকে জঙ্গি, মাদক, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের পাশাপাশি হত্যা, ধর্ষণ, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসীসহ অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তার করে জনগণের মাঝে আস্থা অর্জন করেছে। এর পাশাপাশি বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে র্যাব সর্বদা আন্তরিক।
ত্রাণের প্যকেটে ছিল চাল, ডাল, আটা, চিড়া, মুড়ি, গুড়, বিস্কিটসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী। ত্রাণ বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রামের পুলিশ সুপার আল আসাদ মো. মাহফুজুল ইসলাম, র্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালকসহ অন্যান্য কর্মকর্তাগন।
















