জনগণ তার পাশে আছে বলেই শত প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি নির্বাচনে দাঁড়ানোর সাহস পেয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি থেকে সদ্য বহিষ্কৃত সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে সরাইল উপজেলার শাহবাজপুরে নিজ বাসভবনের সামনে কেন্দ্রীয় নির্বাচনী অফিস উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
রুমিন ফারহানা বলেন, “যখন তোমার কেউ ছিল না, তখন ছিলাম আমি; এখন তোমার সব হয়েছে, পর হয়েছি আমি। আমি কোনো দলের, গোষ্ঠীর বা স্বার্থান্বেষী মহলের আপন হতে চাই না। আমি আমার মাটির মানুষের আপন।” তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের মুখের দিকে তাকিয়েই তিনি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছেন।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, যারা কিছুদিন আগেও রাজনীতির মাঠে তেমন পরিচিত ছিলেন না, তারাই এখন তার নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা ও হুমকি দিচ্ছেন। এ সময় তিনি হুঁশিয়ার করে বলেন, তার কোনো নেতাকর্মীর গায়ে হাত তুললে তার জবাব দিতে হবে।
নির্বাচনে অংশ নেওয়ার উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে রুমিন ফারহানা বলেন, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন কোনো নেতা বা জমিদারের নয়, বরং ছাত্রসমাজ ও খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষের আন্দোলন ছিল। সেই আন্দোলনে তার বাবাও অংশ নিয়েছিলেন। সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগেই ভাষা আন্দোলন সফল হয়েছে। তাই সাধারণ মানুষের প্রয়োজনেই তিনি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনার মতো শক্তিশালী প্রশাসনকেও তিনি কখনও ভয় পাননি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলেই তিনি বিশ্বাস করেন। ব্যালট বাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীককে জয়ী করার সুযোগ নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি। একই সঙ্গে কোনো স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মীদের ওপর হামলা হলে তার জবাব দিতে হবে বলেও সতর্ক করেন।
নির্বাচনী অফিস উদ্বোধন শেষে প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া করা হয়।
উল্লেখ্য, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি জুনায়েদ আল হাবিবকে জোট প্রার্থী করা হয়েছে। এ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়।


















