মোবাশ্বের নেছারী কুড়িগ্রাম সংবাদদাতা
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে প্রেম ও বিয়ের স্বপ্ন দেখিয়ে ডেকে নিয়ে এক তরুণীকে গণধর্ষণের অভিযোগে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত মো. জাহিদ হাসান (২৮)কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অন্য জড়িতদের ধরতে অভিযান চলছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জেলার কেদার ইউনিয়নের টেপারকুটি গ্রামের ২২ বছর বয়সী ওই তরুণীর সঙ্গে পার্শ্ববর্তী বল্লভের খাষ ইউনিয়নের ধারিয়ার পাড় গ্রামের জাহিদ হাসানের মোবাইল ফোনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই সম্পর্কের সূত্র ধরে জাহিদ তাকে ঢাকায় নিয়ে গিয়ে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বাড়ি থেকে বের হতে প্রলুব্ধ করে।
অভিযোগ রয়েছে, কচাকাটা থানার আওতাধীন দুধকুমার নদীর তীরবর্তী আয়নালের ঘাট সংলগ্ন নির্জন চরাঞ্চলের একটি ভুট্টা ক্ষেতে নিয়ে গিয়ে পূর্বপরিকল্পিতভাবে জাহিদ ও তার সহযোগী বাবু মিয়া ওরফে আকাশ (২২) এবং অজ্ঞাতনামা আরও একজন মিলে তরুণীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ঘটনার পর ভুক্তভোগীকে ঘটনাস্থলে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা। গভীর রাতে পাশের একটি বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে প্রাণে রক্ষা পান তিনি। পরদিন সকালে স্থানীয় ইউপি সদস্যের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে পরিবার।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কচাকাটা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধনী ২০০৩) এর ৯(৩) ধারায় মামলা (নং-০৭, তারিখ: ২৩/০৩/২০২৬) দায়ের করেন।
কচাকাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) অর্পন কুমার দাস বলেন, “প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভূরুঙ্গামারী সার্কেল) মুনতাসির মামুন মুন জানান, “ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।”
বুধবার (২৫ মার্চ) সকালে গ্রেফতারকৃত আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি এলাকাজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।


















