আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
এলাকার নিজস্ব পরিচিতি ও জনসংযোগের অভিনব কৌশলে ভোটারদের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাচ্ছেন তিনি। দিনরাত ভোটারদের সাথে সরাসরি আলাপ এবং সমস্যার কথা শোনার মাধ্যমে তার নির্বাচনী কর্মপরিকল্পনা এখন তুঙ্গে।
টাঙ্গাইলের সার্বিক উন্নয়নে সম্প্রতি নিজের ২৩ দফা উন্নয়ন পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন এই নেতা। তিনি অঙ্গীকার করেছেন, নির্বাচিত হলে বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে জাতীয় ও স্থানীয় উন্নয়নের সমন্বয় ঘটানো হবে। এছাড়া টাঙ্গাইলকে নিরাপদ, মাদকমুক্ত, চাঁদাবাজমুক্ত এবং একটি উন্নত মডেল নগর হিসেবে গড়ে তোলাই তার প্রধান লক্ষ্য। বিশেষ করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শিক্ষিত যুবকদের সুযোগ তৈরির বিষয়টি তার পরিকল্পনায় প্রাধান্য পেয়েছে।
জনগণের সাথে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন। সদর আসনের ১২টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার ১৮টি ওয়ার্ডে মোট ৩০টি ‘জনতার সংযোগ’ ফোন বুথ স্থাপনের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
দাইন্না ইউনিয়নে এই বুথ উদ্বোধনকালে টুকু জানান, নির্বাচিত হলে ভোটারদের সাথে এমপির দূরত্ব কমাতে প্রতিটি বুথে একটি করে টেলিফোন থাকবে, যার একটি বাটন চাপলেই সরাসরি তার সাথে কথা বলা যাবে। এতে সাধারণ মানুষকে সমস্যা বা অভিযোগ জানাতে আর মধ্যস্বত্বভোগীদের দ্বারস্থ হতে হবে না।
স্থানীয় ভোটাররা মনে করছেন, জিয়া পরিবারের বিশ্বস্ত এই জাতীয় নেতার নেতৃত্বে টাঙ্গাইল আধুনিক ও সমৃদ্ধশালী নগরে পরিণত হবে। উল্লেখ্য, টুকু সম্প্রতি এক নির্বাচনী জনসভায় তারেক রহমানের কাছে স্থানীয় জনগণের পক্ষ থেকে সাতটি দাবি উপস্থাপন করেছেন, যা বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান। সাধারণ মানুষের মতে, সদর ও চরবাসীর উন্নয়নে সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর মতো বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই।


















