চব্বিশের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে পুলিশ সদস্যদের নিহত হওয়ার ঘটনা তদন্তের কোনও সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
তিনি বলেন, ওই গণঅভ্যুত্থানে যারা নেতৃত্ব দিয়েছেন তাদের সুরক্ষা দিতে ইতোমধ্যে অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে। জুলাই সনদেও এ বিষয়ে সম্মিলিত সিদ্ধান্ত রয়েছে এবং সরকার সেই নীতিতেই রয়েছে।
রবিবার (১ মার্চ) সচিবালয়ে ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহায়তার জন্য সেনাবাহিনী মাঠে ছিল। বাহিনী মাঠে থাকবে কি না, সে বিষয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়েই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।
র্যাবের বিলুপ্তি বা নাম পরিবর্তনের বিষয়ে তিনি বলেন, বাস্তবতার পরিপ্রেক্ষিতে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে। পাশাপাশি অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে নির্দেশনা জারি করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ভারতীয় হাইকমিশনার তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। প্রতিবেশী দেশ হিসেবে বিভিন্ন ইস্যুতে আলোচনা হয়েছে। সীমান্ত হত্যা বন্ধ এবং নিরাপত্তা সহযোগিতার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে। পারস্পরিক মর্যাদার ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। ধাপে ধাপে টুরিস্ট ভিসা বাড়ানো হবে বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, সংসদের প্রথম অধিবেশনে ১৩৩টি অধ্যাদেশ ও একটি আদেশ উত্থাপন করা হবে। এর মধ্যে কোনটি গৃহীত হবে, সংশোধন হবে বা বাতিল হবে—তা সংসদই নির্ধারণ করবে।
ফায়ার সার্ভিসের বিভিন্ন প্রকল্প নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সাম্প্রতিক বিমানবন্দরের অগ্নিকাণ্ডের পর নিরাপত্তা জোরদারের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। দেশের কোনও উপজেলায় যেন ফায়ার সার্ভিস স্টেশন না থাকা অবস্থায় না থাকে, সে বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। নতুন নিয়োগ দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি অতীতে দুর্নীতির অভিযোগ থাকার বিষয়টিও উল্লেখ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।


















