হবিগঞ্জ-১ (বাহুবল নবীগঞ্জ) আসন থেকে বিএনপির ধানের শীষে নির্বাচিত ড. রেজা কিবরিয়াকে নতুন সরকারে অর্থমন্ত্রী করার দাবি জোরালো হচ্ছে। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১ লাখ ১১ হাজার ৯৯৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।
এর আগে নবীগঞ্জের সন্তান সাবেক এমপি প্রয়াত দেওয়ান ফরিদ গাজী ১৯৭৩-৭৫ সালে মুজিব সরকারে স্থানীয় সরকার ও সমবায় মন্ত্রী ছিলেন। এরপর বিগত ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগের শাসনামলে সরকারের অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন ড. রেজা কিবরিয়ার পিতা শাহ এএমএস কিবরিয়া। তখনকার সময় শাহ এএমএস কিবরিয়া ছিলেন হবিগঞ্জ-৩ (হবিগঞ্জ-শায়েস্তাগঞ্জ-লাখাই) আসনের এমপি।
তিনি ২০০৫ সালে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার লস্করপুর ইউনিয়নের বৈদ্যের বাজারে গ্রেনেড হামলায় নিহত হন। নৃসংশ এ হত্যাকান্ডের জন্য জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দকে দায়ী করে আসছেন ড. রেজা কিবরিয়া। তিনি দলবদল করে বিএনপিতে আসার এটিও একটি কারণ বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন।
বাহুবল-নবীগঞ্জবাসীর প্রত্যাশা ড. রেজা কিবরিয়া অর্থমন্ত্রী হলে অবহেলিত এ আসনের রাস্তা-ঘাট, ব্রিজ -কালভার্ট ও শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগবে। সেই আশা থেকেই মুলত জনগণ তাকে বিপুল ভোটে জয়ী করেছেন। নির্বাচনি প্রচারণাকালে তিনি নিজেও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডসহ এ জনপদের অবহেলিত চিত্র পাল্টে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। অনেকে মনে করছেন তাকে মন্ত্রীত্ব দিলে তার দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।
বাহুবল উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফেরদৌস আহমেদ চৌধুরী তোষার আমার দেশকে জানান, একজন অর্থনীতিবিদ হিসেবে ড. রেজা কিবরিয়াকে অর্থমন্ত্রী করা হবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা। এর জন্য ভোটাররা তাকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করেছেন।
ছাত্রদলের উপজেলা সভাপতি সুমন চৌধুরী বলেন, অবহেলিত বাহুবল-নবীগঞ্জের উন্নয়নে ড. রেজা কিবরিয়ার বিকল্প নেই।

















