বছরের শুরুতেই সারা দেশে জেঁকে বসেছে শীত। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী এক মাস শীতের দাপট আরও বাড়তে পারে। এ সময়ের মধ্যে দেশের কোনো কোনো অঞ্চলে তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসার আশঙ্কা রয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক মাস মেয়াদি পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি জানুয়ারি মাসে দেশের বিভিন্ন জেলায় মোট পাঁচটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে দুই থেকে তিনটি মৃদু থেকে মাঝারি এবং এক থেকে দুইটি মাঝারি থেকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এ সময়ে বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় বা নিম্নচাপ সৃষ্টির কোনো আশঙ্কা নেই। দেশে স্বাভাবিক মাত্রার বৃষ্টিপাত হতে পারে এবং দিন ও রাতের তাপমাত্রা মোটামুটি স্বাভাবিক থাকতে পারে।
পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, জানুয়ারি মাসে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত নদ-নদী অববাহিকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা দেখা যেতে পারে। কখনো কখনো এই কুয়াশা দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে গিয়ে শীতের অনুভূতি আরও বাড়তে পারে। এ সময় দেশের প্রধান নদ-নদীগুলোতে স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ বজায় থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়াবিদদের মতে, শীতকালে যখন কোনো এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ১ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকে, তখন তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়। তাপমাত্রা ৬ দশমিক ১ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তা মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে ধরা হয়। আর তাপমাত্রা ৪ দশমিক ১ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামলে তাকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ এবং ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে গেলে অতিতীব্র শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে গণ্য করা হয়।
এদিকে শীতে কাঁপছে রাজধানী ঢাকাও। আজ শনিবার সকালে ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সকাল ৬টায় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯৯ শতাংশ। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি থাকায় রাজধানীতে শীতের অনুভূতি তীব্র হয়ে উঠেছে। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে কুয়াশা। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, এই পরিস্থিতি দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।


















