নিউজ ডেস্ক :
বিশ্বকাপ ক্রিকেটে পাকিস্তান কেমন করবে? এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে ক্রিকেটের বড় বড় বিশ্লেষকরাও কয়েকবার চিন্তা করেন। পাকিস্তান এবং বিশ্বকাপ- দুটো শব্দ এতোটাই ‘আনপ্রেডিক্টেবল’ যে বিশ্বকাপ এলেই পাকিস্তান দল নিয়ে অন্যরকম একটা আলাপ শুরু হয়ে যায়। যার অনেকটা জুড়েই থাকে – পাকিস্তান কখন কী করে, ঠিক নেই।
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে হায়দ্রাবাদের রাজীব গান্ধী স্টেডিয়ামে শুক্রবার (৬ অক্টোবর) শুরু হবে পাকিস্তানের বিশ্বকাপ মিশন।
হারশা ভোগলের মতে, “পাকিস্তানকে নিয়ে যত যাই বলি খেলা শেষ হওয়ার আগে কিছুই বোঝা মুশকিল, এতোটাই অননুমেয় একটা দল পাকিস্তান। এই সেদিন এশিয়া কাপে এল মনে হচ্ছিল তারা চ্যাম্পিয়ন হতে যাচ্ছে।”
জনপ্রিয় ক্রিকেট ওয়েবসাইট ক্রিকবাজে পাকিস্তান ক্রিকেট দল নিয়ে নিজের বিশ্লেষণ বলছিলেন হারশা।
পাকিস্তানকে নিয়ে বিশ্লেষকরা যতোই আশাবাদ ও শংকার কথা বলেন, পাকিস্তানের কড়া সমর্থকদের মনে থাকে কাপ জয়েরই স্বপ্ন, কারণ দলটার নাম পাকিস্তান।
এবারও পাকিস্তান কাপ জিততেই ভারতে পা দিয়েছে, বাবর আজম ভারতের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার আগেই জানান দিয়েছেন, “সেমিফাইনাল পাকিস্তানের জন্য একটা ছোট স্বপ্ন”।
অর্থাৎ কাপ জিতে ফিরতে চান পাকিস্তানের অধিনায়ক, যার অধীনে পাকিস্তান দল সফল, অনবদ্য এবং ধারাবাহিক।
গত বছর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে হোম সিরিজ থেকে শুরু হয় পাকিস্তানের জয়যাত্রা, এর মাঝে ২৫ ম্যাচে মাত্র ছয়টিতে হেরেছে পাকিস্তান।
এর মধ্যে পাকিস্তান আইসিসি র্যাংকিংয়ে ওয়ানডে ক্রিকেটের এক নম্বর দলের জায়গাও দখল করেছিল কিছু সময়ের জন্য।
কিন্তু শংকার জায়গা এটাই যে পাকিস্তানের এই ছয় হারের মধ্যে দুটি এসেছে সবশেষ এশিয়া কাপে।
তাও আবার ভারতের বিপক্ষে ২২৮ রানের ব্যবধানে।
এই ম্যাচে পাকিস্তানের শীর্ষ তিন পেসার শাহীন শাহ আফ্রিদি, নাসিম শাহ, হারিস রওফ তিনজনই ছিলেন।
এশিয়া কাপে সুপার ফোর পর্বে পাকিস্তান শেষ পর্যন্ত হয়েছে চার নম্বর দল, এরপর সোজা বিশ্বকাপে এসেছে পাকিস্তান।
এখানে প্রস্তুতি ম্যাচে প্রথমে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এরপর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে হেরেছে।
যদিও গা গরমের ম্যাচ তবুও পাকিস্তান জয় পেলে যে স্বস্তিটা পেতেন বাবর আজম সেটা এখন অনুপস্থিত।
ভারতের মাটিতে বিশ্বকাপ, যেখানে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলে না পাকিস্তান প্রায় ১০ বছর ধরে, শেষবার ২০১৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের কোনও ক্রিকেট দল ভারতে গিয়েছিল, পারিপার্শ্বিক নানা বিষয় বাবর আজমরা এড়িয়ে যেতে পারেন কিন্তু ভারতের মাটিতে ক্রিকেট খেলতে নেমে একটা প্রচ্ছন্ন চাপ থাকবেই পাকিস্তান দলের ওপর, এখন দেখার বিষয় সেই চাপে পাকিস্তান পাল্টা জবাব দেবে নাকি এবার বিখ্যাত ৯২ ফিরিয়ে আনবে ভারতের মাটিতে।
বাং ভ/অ