মোংলার লোকালয় থেকে আরারো জীবিত হরিণ উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে।উদ্ধার হওয়া একটি মায়াবী হরিণ ফের বনে ফেরত পাঠানো হয়েছে। মোংলার চিলা ইউনিয়নের তেলিখালী এলাকা থেকে গ্রামবাসীর সহায়তায় হরিণটি উদ্ধার করে বনবিভাগ।
তবে হরিণটি পশুর নদী সাঁতরে লোকালয়ে এসেছে নাকি চোরা শিকারীরা ধরে এনেছে তা নিয়ে বনবিভাগের অনুসন্ধান চলছে।
পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের সহকারী বনসংরক্ষক দীপন চন্দ্র দাস জানান, উপজেলার চিলা ইউনিয়নের তেলিখালী এলাকায় রবিবার দুপুরে একটি মায়াবী চিত্রা হরিণ ছোটাছুটি করতে দেখে স্থানীয়রা বনবিভাগকে খবর দেয়। খবর পেয়ে দুপুরেই বনবিভাগের সদস্যরা স্থানীয়দের সহায়তায় হরিণটি উদ্ধার করে। উদ্ধার হওয়া হরিণটি সুস্থ থাকায় সেটিকে পুনরায় আবার সুন্দরবনে ছেড়ে দিয়েছে বনবিভাগ।
তবে স্থানীয়রা বলেন, পশুর নদীর পার হয়ে হরিণটি রোববার কোন এক সময়ে তেলিখালী এলাকায় চলে আসে। পরে ওই এলাকায় ছোটাছুটি করতে থাকে।
এদিকে স্থানীয়দের এমন বক্তব্য মানতে নারাজ বনবিভাগ। বনবিভাগের কর্মকর্তা দীপন চন্দ্র দাস বলেন, এতো বড় পশুর নদী পার হয়ে একটি হরিণ লোকালয়ে চলে আসাটা কোনভাবেই সম্ভব নয়। বরং চোরা শিকারীরা এটিকে শিকার করে আনার পর কেউ হয়তো দেখে ফেলায় এটিকে তারা ছেড়ে দিয়েছে, প্রাথমিকভাবে এমনটা ধারণা করা হচ্ছে। তারপরও এ বিষয়ে অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে।
মোংলার লোকালয় থেকে এর আগেও বিভিন্ন সময়ে বেশ কয়েকটি হরিণ উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে।এভাবে একের পর এক জীবিত হরিণ উদ্ধারের ঘটনা স্থানীয় পরিবেশবিদদের ভাবিয়ে তুলছে।স্থানীয়দের মধ্যে ঘটনাটি নিয়ে মিশ্র প্রতিকৃয়া দেখা দিয়েছে।


















