গণভোটের প্রচারের দায়িত্ব বিএনপির না, এটি প্রচারের দায়িত্ব সরকারের বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, জনগণের দায়িত্ব ভোট দেয়া। গণভোট হচ্ছে হ্যাঁ বা না। জনগণ যা করে, তাই হবে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে ঠাকুরগাঁওয়ে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা আশাবাদী নির্বাচন চলাকালে দেশের পরিস্থিতির উন্নতি হবে। এখন পর্যন্ত নির্বাচনের পরিস্থিতি ভালো। নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হলে প্রকৃত পরিস্থিতি বোঝা যাবে।
তিনি বলেন, আমরা জনগণের কাছে যাচ্ছি। এ দেশে যা কিছু ভালো সবকিছুই বিএনপির অর্জন। সংস্কার, একদলীয় গণতন্ত্র থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্রে আসা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতাকে নিশ্চিত করা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে নিশ্চিত করা; সবই বিএনপি করেছে। বিএনপি ৩১ দফার মাধ্যমে তা নিশ্চিত করেছে। এখন যে সংস্কারগুলো সংস্কার কমিশনের মাধ্যমে গৃহীত হয়েছে তা সবই বিএনপি কমিশনের মধ্যে রয়েছে।
পানি চুক্তি নিয়ে তিনি বলেন, জনগণের সঙ্গে আমাদের একটা কমিটমেন্ট আছে। আমরা তিস্তা, পদ্মা এবং অভিন্ন নদী যতগুলো আছে, সে সব গুলোর ব্যাপারে আমরা ভারতের সঙ্গে আলোচনা করব। আমরা তাদের কাছ থেকে পানির হিস্যা আদায় করব। দুটি দেশের পারস্পরিক যে সম্মান সেটা মাথায় রেখেই আমার দাবি আমি আদায় করার চেষ্টা করব। আমরা যদি ভারতের সঙ্গে সঠিক ডিপ্লোমেটিক আচরণ করতে পারি তবে তাদের বিরূপ আচরণ কমে যাবে।
এ সময় ভারতে বিশ্বকাপ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ক্রিকেটের ব্যাপারে আন্তর্জাতিক রাজনীতি জড়িত আছে, দেশের সম্মান জড়িত আছে। নিঃসন্দেহে আমাদের একজন ক্রিকেটারকে অপমান করা হয়েছে। আমরা মনে করি এটা আমাদের দেশকে অপমান করা। ক্রিকেট বোর্ডের সিদ্ধান্তের সঙ্গে আমরা একমত। তবে এটাও মনে করি যে, ছোট ছোট বিষয়গুলো নিয়ে আমাদের একমত হওয়া উচিত।
বিদ্যমান রাষ্ট্র কাঠামোতে সরকার গঠন হলে ফ্যাসিস্ট সরকার গঠন হবে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মির্জা আলমগীর বলেন, যারা সবসময় ফ্যাসিস্টদের ভয় করে এসেছে, নিজেরা কোন কাজ করে না, বিদেশে থেকে বড় বড় কথা বলে তাদের কাছে এগুলো মনে হয়। আমরা এসব নিয়ে ভয় করিনা। আমরা ফ্যাসিস্টকে তাড়াতে জানি, মারতেও জানি মার খেতেও জানি।


















