ফেলানী হত্যা দিবস উপলক্ষে আগ্রাসন বিরোধী আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে আজ ৭ জানুয়ারি রাজধানীর ইন্সটিটিউট অফ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে দিনব্যাপী আগ্রাসন বিরোধী জুলাই সম্মাননা স্মারক প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল সিগবাতুল্লাহ সিগবাহ। তিনি বলেন,“জুলাই শহীদ ও শহীদ বিচার নিয়ে কোনো ধরনের ষড়যন্ত্র হলে তার পরিণতি হবে দ্বিতীয় জুলাই।”
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির সাবেক যুগ্ম মহাসচিব আসলাম চৌধুরী বলেন,“বাংলার বুকে বিদেশি আধিপত্যবাদ কায়েম করে আর কোনো নব্য ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠা করতে দেওয়া হবে না।”
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন আগ্রাসন বিরোধী আন্দোলনের লিগ্যাল উইং প্রধান অ্যাডভোকেট আব্দুল আজিজ। তিনি বলেন,“রাষ্ট্রের নীতি যখন বিদেশি স্বার্থে প্রণীত হয় এবং প্রশাসন দালালিতে পরিণত হয়, তখন জনগণ নিজ দেশেই পরবাসী হয়ে পড়ে।”
অনুষ্ঠানের স্পন্সর প্রতিষ্ঠান জেএএন সংস্থার চেয়ারম্যান মেহরিন আনহার উজমাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দও বক্তব্য প্রদান করেন।
সমাপনী বক্তব্যে আগ্রাসন বিরোধী আন্দোলনের আহ্বায়ক মো. তারেক আজিজ বলেন,
“দেড় বছর পর দেশের প্রান্তিক অঞ্চল থেকে জুলাই যোদ্ধা আহতরা এসে জুলাইকে পুনরুজ্জীবিত করেছেন। এজন্য আমরা কৃতজ্ঞ। জুলাই যোদ্ধাদের বিকল্প নেই—বিচার পেতে ও আগ্রাসনমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে তাদের নেতৃত্ব অপরিহার্য।”
তিনি আরও বলেন,“৭ জানুয়ারি ফেলানী হত্যার মাধ্যমে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়ে। দিল্লি, পিন্ডি, ওয়াশিংটন কিংবা লন্ডনের কোনো আধিপত্য বা পুতুল সরকার এ দেশে চলতে দেওয়া হবে না—এটাই জুলাইয়ের মূল আকাঙ্ক্ষা।”
সবশেষে কর্মসূচি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।


















