বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ঢাকার ঢাকা-৩ আসন থেকে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন। নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামা অনুযায়ী, তিনি নিজের পেশা হিসেবে ‘কৃষি’ উল্লেখ করেছেন।
হলফনামা অনুযায়ী, স্নাতক ডিগ্রিধারী গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের বার্ষিক আয় ১৭ লাখ ৭ হাজার ৮৫৮ টাকা, যার প্রধান উৎস ভাড়া আয়। কৃষি খাত থেকে তার আয় ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা, বাকিটা আসে অন্যান্য উৎস থেকে। ব্যাংকে তার জমা আছে ৪৬ লাখ ৬৪ হাজার ৪৫৯ টাকা এবং ১ লাখ টাকার কোম্পানির শেয়ার রয়েছে।
সম্পদ বিবরণীতে দেখা যায়, তার মোট সম্পদের পরিমাণ আনুমানিক ৬১ কোটি টাকা। মালিকানায় রয়েছে একটি টয়োটা হেরিয়ার গাড়ি, ছয় তোলা স্বর্ণ, উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত ৩.২৫ একর অকৃষি জমি এবং ৪২ ডেসিমিল কৃষিজমি। এছাড়া তার নামে একটি ছয়তলা এবং একটি দোতলা ভবনও আছে।
মজার বিষয় হলো, এত বিশাল সম্পদের মালিক হলেও তার বা পরিবারের কোনো ঋণ-দায় নেই। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের আয়কর রিটার্নে তিনি নিজের নামে ১.৬৬ কোটি টাকার সম্পদ দেখিয়েছেন। তার দুই সন্তানের নামে যথাক্রমে ৩৭ লাখ ৩৩ হাজার এবং ১.৫৯ কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে।


















