যশোর শহরের শংকরপুর এলাকায় বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেন (৫৩)কে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে শংকরপুরে নয়ন কাউন্সিলরের কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আলমগীর হোসেন শংকরপুর গোলপাতা মসজিদ এলাকার মৃত ইন্তাজ আলীর ছেলে। তিনি শংকরপুর ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন এবং নগর বিএনপির সাবেক সদস্য।
নিহতের বড় ভাই জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, শনিবার সন্ধ্যার পর আলমগীর একটি মোটরসাইকেলে বটতলা এলাকা থেকে বাড়ির দিকে ফিরছিলেন।
তিনি হুদা মেমোরিয়াল একাডেমির সামনে পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। পরে খবর পেয়ে তিনি যশোর সদর হাসপাতালে গিয়ে ভাইয়ের মরদেহ শনাক্ত করেন। সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. বিচিত্র মল্লিক জানান, নিহতের মাথার দুপাশে দুটি গুলির চিহ্ন রয়েছে। হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়।
কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (অপারেশনস) মমিনুল হক জানান, শংকরপুর ইসহক সড়কে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহতের কপাল ও মাথায় দুটি গুলি লেগেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং হত্যাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
এলাকাবাসী জানান, আলমগীর হোসেন দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পেশাগত জীবনে তিনি জমি কেনা-বেচার ব্যবসায় জড়িত ছিলেন, যেখানে তার ছোট ভাই কামরুজ্জামান ছিলেন ব্যবসায়িক পার্টনার। ব্যক্তিজীবনে তিনি সজ্জন ও সমাজসেবী মানুষ হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং গরিব-দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়াতেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, আলমগীর হোসেনের সঙ্গে কারও ব্যক্তিগত শত্রুতা ছিল বলে জানা যায়নি। ফলে, কারা ও কী কারণে তাকে হত্যা করেছে—তা নিয়ে এলাকায় রহস্য বিরাজ করছে।

















