সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামের পাশে নুরুল্লা মৌজাস্থিত সাবেক মেম্বার নুরুল ইসলাম শাহীনের রেকর্ডীয় বোরো জমিতে বিজ্ঞ আদালতের নিশেধাজ্ঞা অমান্য করে জোর পূর্বক ধানের চারা রোপণ করার অভিযোগ উঠেছে ভূমি খেকো আব্দুর রহমান ও আব্দুল খালেক গংদের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় ভূমির মালিক নুরুল ইসলাম শাহীন একই গ্রামের ভূমি খেকো আব্দুর রহমান,আব্দুল খালেক,মুনসুর আলী,শরীফ মিয়ার বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী দায়ের করেছেন। যার জিডি নং ১২১৬, তারিখ ২৬/১২/২৫ইং।
অভিযোগ মাধ্যমে জানা যায়,গত ২৫ ডিসেম্বর সকাল অনুমান সাড়ে ৮ টার সময় নরুল্লা মৌজার জেএলনং ৭৪,খতিয়ান নং ২৩২,সাবেক দাগ নং ৭০১,হালদাগ নং ৮৫৯,পরিমাণ ১ একর ২০ শতাংশ ভূমি আমার বাবার খরিদা সম্পত্তি। ২৫ ডিসেম্বর সকালে সমূহ বিবাদীগন জোরপূর্বক নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে আমাদের তফসিল বণির্ত ভূমিতে ধানের চারা রোপণ করেছে। খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে বিবাদীরা আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। বর্তমানে আমি সহ আমার পরিবারের লোকজন তাদের ভয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
ভূমি তীরবর্তী ময়না মিয়া বলেন, নুরুল ইসলাম শাহীনের বাবার খরিদা ভূমিতে আব্দুর রহমান ও আব্দুল খালেক গংরা জোরপূর্বক ধানের চারা রোপণ করেছে। প্রায় ২৫/৩০ বছর যাবৎ নুরুল ইসলাম শাহীন গংরা এই জমিতে ফসল ফলাইয়া চাষাবাদ করে আসছেন।
বিবাদী আব্দুর রহমান ও আব্দুল খালেক বলেন, আদালতের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আমাদের ভূমিতে আমরা ধানের চারা রোপণ করেছি। নুরুল ইসলাম শাহীন গংরা যেদিন ভূমির দলিল সবার সম্মুখে দেখাতে পারবে সেদিন আমি নিজেই ভূমি ছেড়ে দেব।
ভূমির রেকর্ডীয় মালিক স্বপন মিয়া বলেন,এসএ এবং আর এস পর্চাসহ দলিল মূলে আমার বাবা ঐ ভূমির রেকর্ডীয় মালিক। আজ থেকে প্রায় ৩০ বছর যাবৎ আমরা ঐ ভূমিতে ফসল ফলাইয়া চাষাবাদ করে আসছি। কিন্তু আব্দুর রহমান ও আব্দুল খালেক গংরা জোরপূর্বক আমাদের ভূমিতে ধানের চারা রোপণ করেছে। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে জবরদখল কারীদের বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় অভিযোগ করেছি।
সদর মডেল থানার ডিউটি অফিসার অভিজিৎ ভৌমিক বলেন, সরেজমিন তদন্ত সাপেক্ষে আইন গত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

















