নাটোর-৩ (সিংড়া) আসনে বিএনপি থেকে গ্রিন সিগন্যাল পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন জেলা বিএনপির সদস্য অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলাম আনু।
তিনি আওয়ামী লীগের সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের সহধর্মিণী আরিফা জেসমিন কনিকার আপন চাচা। গত ১২ অক্টোবর রাতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান মুঠোফোনে তাকে গ্রিন সিগন্যাল দিয়েছেন বলে দাবি করেন আনোয়ারুল ইসলাম আনু ও তার অনুসারীরা।
অধ্যক্ষ আনু বর্তমানে জেলা বিএনপির সদস্য। এর আগে তিনি সিংড়া উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক হিসেবে কয়েক মাস দায়িত্ব পালন করেন।
এদিকে তার এই “গ্রিন সিগন্যাল” পাওয়া সংক্রান্ত খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সিংড়া উপজেলা বিএনপির একাংশের নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ ও সমালোচনার ঝড় ওঠে।
স্থানীয় বিএনপির কিছু নেতা অভিযোগ করে বলেন, “আনোয়ারুল ইসলাম আনু দলের জন্য কিছুই করেননি। বিগত ১৭ বছরে বিরোধী দলে থাকা অবস্থায় তার নামে কোনো মামলা হয়নি, জেল খাটেননি। আওয়ামী লীগের সাবেক প্রতিমন্ত্রী পলকের ঘনিষ্ঠ আত্মীয় হওয়ায় তিনি প্রভাব খাটিয়ে নিজেকে রক্ষা করেছেন। এমন একজন মানুষ কিভাবে বিএনপির গ্রীন সিগন্যাল পান?”
এ বিষয়ে নাটোর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও একই আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী দাউদার মাহমুদ বলেন,“গ্রীন সিগন্যালের বিষয়টি আমি জানি না। যদি তাকে দেওয়া হয়ে থাকে, তবে হয়তো আমাকে রেড সিগন্যাল দেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত দল থেকে আমি কোনো সিগন্যাল পাইনি। তবে আমি দলের আদর্শিক সৈনিক হিসেবে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাহেবের সিদ্ধান্তকেই মেনে নেব।”
অন্যদিকে, অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলাম আনু বলেন,
“বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আমাকে ফোন করে গ্রীন সিগন্যাল দিয়েছেন। আত্মীয়তা থাকতেই পারে, সেটা রাজনীতির পথে বাধা নয়। আমি দলের জন্য কাজ করি, সেটাই মুখ্য বিষয়। আমি যখন থেকে বিএনপির রাজনীতি করছি, তখন অনেকের জন্মও হয়নি।”
নাটোর-৩ (সিংড়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে কাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে, তা নিয়ে এখন স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে চলছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা।
















