বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা বাস্তবায়ন এবং সুনামগঞ্জ-৪ আসনে জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম নুরুলকে ধানের শীষ প্রতীকে প্রার্থী করার দাবিতে সুনামগঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়েছে স্মরণকালের মহা নারীসমাবেশ।
বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ১১টায় শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দল সুনামগঞ্জ জেলা শাখার আয়োজনে এ নারীসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সদর, পৌরসভা ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার হাজারো নারী বিভিন্ন খণ্ড খণ্ড মিছিলে অংশ নিয়ে সমাবেশস্থল কানায় কানায় পূর্ণ করে তোলেন। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলা মহিলা দলের সভাপতি লুৎফা আনোয়ার এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হাফেজা ফেরদৌস লিপন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য, এবং সুনামগঞ্জ-৪ আসনে ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশী অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম নুরুল বলেন,“বিএনপি সব সময় জনগণের অধিকার ও নারীসমাজের মর্যাদা রক্ষায় কাজ করেছে। বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি সরকার নারীর শিক্ষার মান উন্নয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে পদক্ষেপ নিয়েছিল।
দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষণা দিয়েছেন— বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দেশের প্রতিটি নারীকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’-এর আওতায় আনা হবে এবং বয়স্ক, বিধবা নারীদের জন্য বিশেষ ভাতার ব্যবস্থা করা হবে।”
তিনি আরও বলেন,“৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি জনগণকেন্দ্রিক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র কাঠামো প্রতিষ্ঠা করা হবে। আগামী নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থীদের বিজয়ী করে বিএনপিকে ক্ষমতায় আনতে নারী সমাজকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।”
সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আকবর আলী, অ্যাড. শেরেনুর আলী, মো. রেজাউল হক, আবুল কালাম আজাদ, মো. ফুল মিয়া, জেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি সুহেল আহমদ, জেলা মহিলা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক খাদিজা কলি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রুমি বেগম, রুনা আক্তার, প্রচার সম্পাদক মনিরা আক্তার লিজা, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মুনাজ্জির হোসেন, সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর আলম, যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক তফাজ্জল হোসেন ও কামরুল হাসান রাজু প্রমুখ।
সমাবেশ শেষে এক বিশাল নারী মিছিল পুরাতন বাসস্ট্যান্ড থেকে শুরু হয়ে আলফাত স্কয়ার, পুরাতন কোর্ট ও কালিবাড়ি ঘুরে পুনরায় সমাবেশস্থলে এসে শেষ হয়।
















