ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে কেন্দ্রীয়ভাবে প্রকাশিত ফলের সঙ্গে হলভিত্তিক ভোটের তথ্যে গরমিল ধরা পড়েছে।
রোববার প্রকাশিত ১৮ প্রার্থীর ভোট বিশ্লেষণে দেখা গেছে, নয়জনের ভোট কেন্দ্রীয় ফলে বেশি আর নয়জনের কম।
ফলে ক্ষুব্ধ প্রার্থীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তবে চিফ রিটার্নিং অফিসার অধ্যাপক জসীম উদ্দিন একে ‘টাইপিং মিসটেক’ বলে উল্লেখ করেছেন।
ছাত্র পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহর ভোট ৯১০১ হলেও কেন্দ্রীয় ফলে ৯০৬১।
ক্রীড়া সম্পাদক চিম চিম্যা চাকমার ভোট ৩৮৮৮ হলেও ফলাফলে ৩৭৮৮।
সাহিত্য সম্পাদক লানজু খানের ১৫৭১ ভোট ফলাফলে দেখানো হয়েছে ১৫৩১।
আন্তর্জাতিক সম্পাদক সাকিবের ভোট ৩৯৬২ হলেও কেন্দ্রীয় ফলে ৩৯২২।
অন্যদিকে সহসভাপতি রিয়াজ উদ্দিন আহমেদের ৬ ভোট কেন্দ্রীয় ফলে হয়েছে ৮, বিজ্ঞান সম্পাদক ফাতিন ইশরাকের ২০১১ ভোট বেড়ে হয়েছে ২০২১।
অধ্যাপক জসীম উদ্দিন বলেন, “হলের ফলাফলে কোনো ভুল নেই। ভোররাত পর্যন্ত কাজ করতে গিয়ে অনেকে ক্লান্ত ছিলেন, তাই সংখ্যায় ভুল লেখা হয়েছে। এগুলো টাইপোলজিক্যাল মিসটেক, শিগগিরই সংশোধন করা হবে।”
প্রকাশিত ফলে মোট ভোট, বাতিল ভোটের পূর্ণাঙ্গ হিসাব নেই। ১৮ হলের মধ্যে মাত্র ৬ হলে বাতিল ভোট ও না-কাস্ট হওয়া ভোটের তথ্য দেওয়া হয়েছে।
ভিপি পদে সর্বোচ্চ ৭৩.৫৬% ভোট পড়েছে। এ পদে সাদিক কায়েম ৪৮% ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।
















