শাহ আলম সরকার :
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ঘোষিত ‘জুলাই পদযাত্রা’র অংশ হিসেবে আজ মঙ্গলবার টাঙ্গাইলে অনুষ্ঠিত হবে পদযাত্রা ও সমাবেশ।
‘দেশ গড়ার প্রত্যয়ে’ এই কর্মসূচিকে ঘিরে ইতোমধ্যে প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে দলটির স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতারা। শহরের প্রধান সড়ক ও মোড়ে মোড়ে টাঙানো হয়েছে ব্যানার-ফেস্টুন, নির্মাণ করা হয়েছে তোরণ। পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে শহরে নেওয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান জানান, কর্মসূচিকে ঘিরে ৯ শতাধিক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে এপিবিএনের ৭০ জন সদস্যও।
এনসিপি সূত্র জানায়, সোমবার রাতেই টাঙ্গাইলে এসে পৌঁছেছেন দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও মুখ্য সমন্বয়কারী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। শহরে এসে তাঁরা প্রথমে বঙ্গবন্ধু সড়কের পাশে অবস্থিত মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর মাজার জিয়ারত করেন ও সেখানে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। পরে ভাসানী দরবার হলে কৃষকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
আজ মঙ্গলবার পদযাত্রায় যোগ দেবেন সারজিস আলম (মুখ্য সংগঠক, উত্তরাঞ্চল), হাসনাত আব্দুল্লাহ (মুখ্য সংগঠক, দক্ষিণাঞ্চল), সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা, সিনিয়র সদস্য সচিব সারোয়ার নিভা ও ডা. তাজনুভা জাবিন।
উত্তরাঞ্চলের সংগঠক আজাদ খান ভাসানী জানান, “জুলাই অভ্যুত্থানের অগ্রনায়কদের পদচারণায় বিপ্লবী টাঙ্গাইলের মাটি আবারও গর্জে উঠবে।” তিনি বলেন, “এই পদযাত্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার লোকের অংশগ্রহণ প্রত্যাশা করছি।” এনসিপি’র পক্ষ থেকে জানানো হয়, পদযাত্রাটি সকাল সাড়ে ১০টায় টাঙ্গাইল জেলা সদরের শামসুল হক তোরণ থেকে শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে নিরালামোড়ের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে সংক্ষিপ্ত পথসভায় মিলিত হবে।
আজাদ খান ভাসানী বলেন, “টাঙ্গাইলের নিরালামোড় শুধুই একটি মোড় নয়, এটি ২০২৪ সালের জুলাইয়ের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের ঐতিহাসিক সাক্ষী। যেখানে একসময় প্রতিধ্বনিত হয়েছিল জনগণের স্লোগান, প্রতিরোধের গর্জন এবং স্বাধীনতার প্রত্যয়। সেই মাটিতে আবারও পদচিহ্ন রাখবে এনসিপি।”

















