মো: ইব্রাহিম খলিল, সাতক্ষীরা সংবাদদাতা :
সাতক্ষীরা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)’র হাতে বিপুল পরিমাণ সরকারি ঔষধ সহ এক ব্যক্তি আটক হয়েছে।
শনিবার (৩১ মে) বিকেল ৪.৩৫ মিনিট সময় সাতক্ষীরা থানাধীন পুরাতন সাতক্ষীরা (কল বাগান পাড়া) এলাকা থেকে ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। আটক হওয়া ঐ ব্যক্তির নাম মো: রাজীব উদ্দীন (৩৫)। সে সাতক্ষীরা কালিগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা সাদেক আলী গাজীর ছেলে।
মামলা সুত্রে প্রকাশ, সাতক্ষীরা জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি টিম সদর থানা এলাকায় অবৈধ মাদকদ্রব্য উদ্ধার সহ বিশেষ অভিযান পরিচালনাকালে (৩১ মে) বিকেল ৪.২৫ মিনিট সময় সাতক্ষীরা শহরস্থ বকচরা মোড়ে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন যে, কতিপয় ব্যক্তিরা “গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সম্পদ” বিভিন্ন ধরনের ঔষধ চোরাচালানের উদ্দেশ্যে সদর থানাধীন পুরাতন সাতক্ষীরা (কল বাগান পাড়া) এলাকার বাসিন্দা মো: ফজলুর রহমান (৫৫) এর দোতলা বিল্ডিং ঘরের নিচতলার ভাড়াটিয়া ধৃত আসামি রাজীব উদ্দীন (৩৫) এর বাসার পশ্চিম পার্শ্বের কক্ষ খাটের নিচে রাখা হয়েছে।
উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে
জেলা গোয়েন্দা শাখার পক্ষ থেকে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়। এ সময় সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলামের দিক নির্দেশনায়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ মুকিত হাসান খান ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) মোঃ শেখ ইমরান হোসেন, বিপিএম, পিপিএম এর তত্ত্বাবধানে জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ মোঃ নিজাম উদ্দীন মোল্যার নেতৃত্বে এসআই (নিরস্ত্র) পিন্টু লাল দাস বিপি- ৮৪১৩১৪৯১৩৭, এএসআই (নিঃ)/১২২ মো: আবু সুফিয়ান, এএসআই (নিঃ) মো: আরিফুল ইসলাম, কং ৮৪৯ মো: জিল্লুর রহমান, কং ৬১৬ উজ্জ্বল দাস সহ গোয়েন্দা পুলিশের একটি চৌকস টিম উক্ত স্থানে উপস্থিত হয়।
ডিবি পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ২/৩ জন আসামি দৌড় দিয়ে পালাতে সক্ষম হলেও আসামি রাজীব উদ্দীনকে আটক করতে সক্ষম হয়।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাক্ষী মো: রবিউল ইসলাম, মো: মফিজুল ইসলাম সহ জেলা গোয়েন্দা শাখার এএসআই (নিঃ) মো: আবু সুফিয়ান সাতক্ষীরাদের সম্মুখে ধৃত আসামি রাজীব উদ্দীনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে উল্লেখিত নাম ঠিকানা প্রকাশ করে। একপর্যায় পলাতক অজ্ঞাতনামা আসামিদের নাম জিজ্ঞাসাবাদ করলে রাজীব উদ্দীন কৌশলে এড়িয়ে যায়।
এদিকে অভিযান চালিয়ে আসামি রাজীব উদ্দীন এর ভাড়া বাসার বসত ঘরের খাটের নিচে সাজানো অবস্থায় সরকারি ঔষধ: (১) কিলম্যাক্স -২৫০ মি:গ্রা: ট্যাবলেট ৬৬৫ পিচ, (২) সেফিজিম ক্যাপসুল ৪০০ (মি:গ্রা:) ৪২০ পিচ, (৩) অগমেন্টিন ৬২৫ মি:গ্রা: ৩০০ পিচ, (৪) অসটোক্যাল জিএক্স ১৫০০ মি:গ্রা: ৭২০ পিচ, (৫) লোসারটন পটাশিয়াম ট্যাবলেট ৫০ মি:গ্রা: ২২০০ পিচ, (৬) গ্লিক্লাজাইট ৮০০ মি:গ্রা: ১১৫০ পিচ, (৭) ইসোমিপ্রাজল ২০ মি:গ্রা: ১৫০ পিচ ঔষধ উদ্ধার করা হয়।
যাহার বাজার মুল্য আনুমানিক ৯০ হাজার দুইশত ১৫ টাকা। এ ঘটনায় সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। যাহার মামলা নং-০১, তারিখ, ০১/০৬/২০২৫।


















