ডালিম কুমার দাস টিটু, লক্ষ্মীপুর সংবাদদাতা :
নিষেধাজ্ঞা শেষ হলেও লক্ষ্মীপুরের ২৮ হাজার জেলে সরকারি খাদ্য সহায়তার দ্বিতীয় ধাপের চাল না পাওয়ার অভিযোগ ওঠেছে।
চাল না পাওয়ায় জেলেরা ক্ষুব্দ। গেলো মার্চ-এপ্রিল দুই মাস মেঘনা নদীতে নিষেধাজ্ঞা থাকার কারণে সব ধরনের মাছ ধরা বন্ধ রয়েছে।
নিষেধাজ্ঞার এই দুই মাস জেলেরা অনেক কষ্ট করে সংসার চালিয়েছেন। অনেকে মানবেতর জীবনযাপন করেছেন। মৎস্য অফিস সূত্রে জেলায় ৩৮ হাজার ৫৭৫ জন জেলে রয়েছেন নিবন্ধিত। এর মধ্যে তালিকাভুক্ত সরকারি খাদ্য সহায়তার চাল পাবেন ২৮ হাজার ৩৪৪ জন জেলে।বেসরকারি হিসেবে অনুযায়ী লক্ষ্মীপুরে ৬০ হাজার জেলে রয়েছে।
তবে নিবন্ধিত জেলেদের জন্য দুই ধাপে ৮০ কেজি করে ১৬০ কেজি চাল বরাদ্দ পাওয়ার কথা। কিন্তু মার্চ মাসে প্রথম ধাপের চাল বিতরণ করা হলেও এপ্রিল মাসের দ্বিতীয় ধাপের চাল এখনো বরাদ্দই আসেনি। এরমধ্যে ৩০ এপ্রিল মধ্যরাত থেকে নিষেধাজ্ঞা ওঠে যাওয়ায় জেলেরা নদীতে নামতে শুরু করেছে। অন্যদিকে নদীতে মাছ ধরা পড়ছেনা বলে জানান জেলেরা। এমন পরিস্থিতিতে স্ত্রী সন্তান নিয়ে তারা খুব মানবতার জীবনযাপন করছেন।
একাধিক জেলে ক্ষুব্ধ হয়ে বলেন, নিষেধাজ্ঞার দুই মাস ঘিরে ৪ মাসের জন্য দুইবারে সরকার চাল দেয়। কিন্তু এখনো দ্বিতীয় ধাপের চাল আমরা পাইনি। আমরা পরিবার নিয়ে খুব কষ্টে দিন কাটাচ্ছি।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিল্লাল হোসেন বলেন, জেলেদের দ্বিতীয় ধাপের চাল এখনো বরাদ্দ আসেনি। আসলে দ্রুত তা বিতরণ করে দেবো। বিগত সময়ে নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন সময়ে বরাদ্দের চাল আসতো। এবার মন্ত্রণালয় থেকে এখনো বরাদ্দ দেওয়া হয়নি।মৎস্য সম্পদ রক্ষার্থে জেলেদের পরিবার বাঁচাতে অতি দ্রুত তাদের দ্বিতীয় ধাপের সরকারি চাল দিতে প্রশাসন এবং জেলা মৎস্য অধিদপ্তর কাজ করবে এমনটাই প্রত্যাশা করেন সংশ্লিষ্ট।


















